Kashmir-Punjab Mock Drill, Blackout: কাশ্মীর-পঞ্জাবে সীমান্তবর্তী এলাকায় মকড্রিল, ব্ল্যাকআউট! ঘুম উড়ল পাকিস্তানের
Kashmir-Punjab Mock Drill, Blackout: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ অনুসারে পঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মীরে বড় আকারের 'ব্ল্যাকআউট' এবং 'এয়ার রেইড' মক ড্রিল করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি, গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার প্রথম বার্ষিকীর আবহে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
দেশে যে কোনও জরুরি অবস্থা, বিমান হামলা বা সন্ত্রাসবাদী হুমকি মোকাবিলায় অসামরিক প্রশাসনকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখতে চায় সরকার। এই আবহে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ অনুসারে পঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মীরে বড় আকারের 'ব্ল্যাকআউট' এবং 'এয়ার রেইড' মক ড্রিল করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি, গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার প্রথম বার্ষিকীর আবহে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে পাকিস্তান লাগোয়া সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে। এদিকে ভারতের এই পদক্ষেপের কারণে পাকিস্তানের রাতের ঘুম উড়েছে।

জানা গিয়েছে, অনেক পাকিস্তানি সোশ্যাল মিডিয়ায় আশঙ্কা প্রকাশ করছে, ভারত হয়ত আবার পাকিস্তানে আক্রমণ করতে পারে। উল্লেখ্য, পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার বার্ষিকী উপলক্ষে জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে হাই অ্যালার্ট এবং মক ড্রিল অনুষ্ঠিত হয় ২২ এপ্রিল। জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। রামবানে সিআরপিএফ ড্রিল হয়েছে। রামবান জেলার জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে অবস্থিত 'পিরা হোটেলস'-এর কাছে একটি বিস্তৃত মক ড্রিল চালায় সিআরপিএফের ৮৪তম ব্যাটালিয়ন। এদিকে কিস্তোয়ারে এয়ার রেইড-ব্ল্যাকআউট ড্রিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ, ২৩ এপ্রিল। পুলিশ, আধা-সামরিক, স্বাস্থ্য, দমকল বাহিনী এবং টেলিকম বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের উপর জোর দিয়ে ডেপুটি কমিশনার পঙ্কজ কুমার শর্মার নেতৃত্বে একটি বিস্তারিত অ্যাকশন প্ল্যান প্রস্তুত করা হয় এই মকড্রিলের জন্য।
উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। এই জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তাছাড়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে থাকা পাকিস্তানের আরও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের মিসাইলের আঘাতে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


