Howrah-New Delhi Route Kavach: বর্ধমান থেকে ১৫৫ কিমি লাইনে বড় পরিবর্তন, হাওড়া-দিল্লি রুটের ট্রেনে হবে সুবিধা
বর্ধমান থেকে ১৫৫ কিমি লাইনে বড় পরিবর্তন, হাওড়া-দিল্লি রুটের ট্রেনে হবে সুবিধা। তারইমধ্যে পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সাফল্য এসেছে। আরও বেশি টাকা বাঁচানো গিয়েছে বলে দাবি করেছে রেল।
বর্ধমান থেকে হাওড়া-নয়াদিল্লি রুটের ১৫৫ কিলোমিটার অংশ চলে এল ‘কবচ’ প্রযুক্তির আওতায়। পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান থেকে ঝাড়খণ্ডে প্রধানখান্টা পর্যন্ত ১৫৫ কিমি সঙ্গে সাফল্যের সঙ্গে কবচ প্রযুক্তি চালু করে দেওয়া হয়েছে। যা হাওড়া-দিল্লি রুটের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আর তার ফলে চলতি অর্থবর্ষে (২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ) কবচ প্রযুক্তি যুক্ত হয়ে গেল ২৬০ কিমি অংশে। যা সার্বিকভাবে হাওড়া-নয়াদিল্লি রুটের ট্রেন চলাচল ব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত হয়ে উঠছে এবং দেশের অন্যতম ব্যস্ততম রুট হাওড়া-নয়াদিল্লি লাইনে ট্রেন চলাচল আরও নিরাপদ ও গতিশীল হবে বলে পূর্ব রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে।

সাধারণ পরিচালনা ব্যয় কমেছে, দাবি পূর্ব রেলের
তারইমধ্যে পূর্ব রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে যে প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সাফল্য এসেছে। গত বছরের তুলনায় এই অর্থবর্ষে অর্ডিনারি ওয়ার্কিং এক্সপেন্স বা সাধারণ পরিচালনা ব্যয় ১৪.৫৫ শতাংশ কমানো সম্ভব হয়েছে। কঠোর আর্থিক নীতি এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ ছাঁটাইয়ের মাধ্যমেই এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে বলে রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে। রেল আধিকারিকদের দাবি, এই যে অর্থ সাশ্রয় হয়েছে, সেটা আগামিদিনে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজে বাড়তি গতি আনবে।
স্ক্র্যাপ বিক্রিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি আয়
রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে, অকেজো সামগ্রী বা স্ক্র্যাপ বিক্রিতেও বড় সাফল্য এসেছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে পূর্ব রেল স্ক্র্যাপ বিক্রি করে মোট ৭০.২২ কোটি টাকা আয় করেছে। যেখানে এই মাসের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫৪.৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ২৮.৮৪ শতাংশ বেশি আয় হয়েছে, যা রেলের কোষাগারকে সমৃদ্ধ করেছে বলে রেলের আধিকারিকরা দাবি করেছেন।
কবচ আসলে কী?
কবচ হল ভারতের দেশীয় প্রযুক্তি। যা অত্যন্ত প্রযুক্তি-নির্ভর অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন সিস্টেম। ওই সিস্টেমের ফলে ট্রেন চলাচল অনেক বেশি সুরক্ষিত হয়ে যাবে। চালকদের ট্রেন চালানোর সময় পরামর্শ দেয়। যদি সেই শর্ত মেনে না চলেন লোকো পাইলট, তাহলে নিজে থেকেই ব্রেক কষে ট্রেন থামিয়ে দেয়। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কার্যত থাকে না।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


