Amir Shokeen: দিল্লিতে ত্রিপুরার বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য, কনটেন্ট ক্রিয়েটরের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস মন্ত্রীর
Content creator Amir Shokeen: ত্রিপুরা পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যেখানে আমির শোকিনের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষমূলক হেনস্থা, সাইবার বুলিং এবং রাজ্যের আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
Content creator Amir Shokeen: দিল্লিতে ত্রিপুরার এক যুবককে উদ্দেশ্য করে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য এবং অপমান করার অভিযোগে বিতর্কে জড়িয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমির শোকিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে দেশজুড়ে সমালোচনা। এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি ও ত্রিপুরা পুলিশ।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (ANI Video Grab)
সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেছেন, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করতে কিছুটা দেরি হলেও অভিযুক্তকে অবশ্যই পরিণাম ভোগ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, দুষ্কৃতকারীকে শাস্তি পেতেই হবে। দিল্লি পুলিশ ও ত্রিপুরা পুলিশ তাকে কঠোর শিক্ষা দেবে। তিনি আরও বলেন, সমাজে যারা এ ধরনের জঘন্য আচরণ সহ্য করে, তারাও ঘৃণা ছড়িয়ে পড়ার জন্য দায়ী। এদিকে, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাও রাজ্য পুলিশের ডিজিকে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন এবং অভিযুক্ত কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ত্রিপুরা পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যেখানে আমির শোকিনের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষমূলক হেনস্থা, সাইবার বুলিং এবং রাজ্যের আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে। ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে শোকিন ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, ভিডিওর কথোপকথনটি আগে থেকেই সাজানো ছিল এবং এটা শুধু হাস্যরসের উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। তিনি জানান, ভিডিওতে যে যুবককে দেখা গেছে, তিনি তাঁর পরিচিত এবং আগে আহমেদাবাদে এক বন্ধুর ক্যাফেতে কাজ করতেন। শোকিন জোর দিয়ে বলেন যে, কথোপকথনের সময় তাঁরা দুজনেই মজা করছিলেন। তিনি আরও বলেন, ওই যুবক বা কোনও সম্প্রদায়কে অপমান করার কোনও উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না।
আমির শোকিন বলেছেন, 'কারও সম্পর্কে খারাপ কিছু বলার উদ্দেশ্য আমার ছিল না। যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি। আমি সবাইকে শ্রদ্ধা করি।' একই সঙ্গে তাঁর কথা, 'ত্রিপুরার ভাইয়েরা, আমি হাত জোড় করে আপনাদের সবার কাছে ক্ষমা চাইছি। ভ্রাতৃত্ববোধই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি দুঃখিত।' সব মিলিয়ে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর।