Lashkar E Taiba terrorist: পাকিস্তানে লস্করের ডেরায় জঙ্গি বিলাল খুনে নয়া মোড়! অভিযোগ কোনদিকে? এল রিপোর্ট
বহুদিন ধরেই সারাফি পাকিস্তানের তৈবা কলোনিতে থাকত। সেখানে লস্করের বাকি কমান্ডাররাও থাকে। বহু যুবককে উগ্রপন্থার পাঠ পড়িয়ে তাদের সন্ত্রাসে নিযুক্ত করার কাজ করে যেতে এই বিলাল সরাফি।
খোদ লস্কর ই তৈবার মতো জঙ্গি সংগঠমের ডেরাতেই শনিবার খুন হয় লস্কর জঙ্গি কমান্ডার বিলাল আরিফ সারাফি। খুনের পর থেকেই সেই ঘটনার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। খুনের পর পরই বহু রিপোর্ট দাবি করেছিল, যে বিলালকে পাকিস্তানে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজরা খুন করে। রিপোর্টে দাবি করা হয়, বিলালকে গুলি করার পর কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। তবে এবার এনডিটিভির রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, বিলাল আরিফ সারাফিকে তার পরিবারের লোকজনই খুন করেছে।

অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের মুরিদকেতে লস্কর জঙ্গিদের যে ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারত, সেই জায়গার কাছেই লস্করের ডেরায় শনিবার খুন হয় বিলাল। একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, পাকিস্তানে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজ নয়, এই খুনের নেপথ্যে বিলালের পরিবারের ভিতরের কোন্দল দায়ী। এমনই দাবি গোয়েন্দা সূত্রের। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা গ্রেফতার হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে, এই খুন তা স্পষ্ট নয়।
২০০৫ সাল থেকে বিলাল লস্কর ই তৈবায় ছিল। শনিবার ইদের নমাজের পরই মরকজ-এ তৈবার কাছে বিলালকে খুন করা হয় বলে খবর। এই জায়গাটি পাকিস্তানের মুরিদকেতে অবস্থিত। সন্দেহ করা হচ্ছে, বিলালকে পরিবারেরই কেউ হত্যা করেছে। তবে কেন এই খুন, তার কিনারা এখনও হয়নি।
এদিকে, লস্করের কমান্ডার হয়ে বিলাল মূলত, ফান্ড জোগাড় করার কাজ করত। লস্করের জঙ্গি কার্যকলাপ, অস্ত্র জোগাড়ের দায়িত্ব ছিল বিলালের কাঁধে। বহুদিন ধরেই সারাফি, পাকিস্তানের তৈবা কলোনিতে থাকত। সেখানে লস্করের বাকি কমান্ডাররাও থাকে। বহু যুবককে উগ্রপন্থার পাঠ পড়িয়ে তাদের সন্ত্রাসে নিযুক্ত করার কাজ করে যেতে এই বিলাল সরাফি।
বিলাল খুনের পর যে ভিডিয়ো (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা) প্রকাশ্যে আসে, তাতে দেখা যাচ্ছে, রক্তাক্ত অবস্থায় বিলাল মাটিতে পড়ে ছটফট করছে। তাকে ঘিরে অনেকে থাকলেও, তাকে সাহায্য করতে ভিডিয়োতে দেখা যায়নি। তবে বিলালের আগে, পাকিস্তানের মাটিতে বহু পাকিস্তানি জঙ্গি পর পর খুন হয়েছে। সেক্ষেত্রে অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজের নাম অভিযোগের তালিকায় আসে। তবে বিলালের খুন নিয়ে সেভাবে পাকিস্তানি প্রশাসনের তরফে বড় কোনও তথ্য মেলেনি।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


