Lawrence Bishnoi Gang Shadow Cabinet: জেলে ‘নেতা’ লরেন্স, বিষ্ণোই গ্যাং চালাচ্ছে ‘মন্ত্রিসভা’, টাইগার গুলিকাণ্ডেও তাই?
Lawrence Bishnoi Gang Shadow Cabinet: ‘কিংপিন’ লরেন্স বিষ্ণোই। আর তার হয়ে নাকি গ্যাং চালাচ্ছে 'মন্ত্রিসভা'। টাইগার শ্রফের গুলিকাণ্ডের পরও সেই 'মন্ত্রিসভার' নাম উঠে এসেছে। বিশেষত অনিল পন্ডিতের নাম সামনে এসেছে এই ঘটনায়।
Lawrence Bishnoi Gang Shadow Cabinet: লরেন্স বিষ্ণোই- কয়েক মাস পরপরই সেই নামটা নিয়ে হইচই পড়ে যায়। গুলি চালানোর ঘটনা, তোলাবাজির মতো ঘটনায় নাম জড়ায় লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের। এবার বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের উপরে গুলি চালানোর নাম উঠে এসেছে সেই গ্যাং এবং গ্যাংয়ের ‘প্রধান’ লরেন্সের নাম। অথচ খোদ 'কিংপিন' গুজরাটের সবরমতী জেলে বন্দী আছে। তাহলে কীভাবে সেই গ্যাং চলে? রিপোর্ট অনুযায়ী, বিষ্ণোই গ্যাংয়ের অপারেশনের নেপথ্যে আছে ‘শ্যাডো ক্যাবিনেট’।

‘শ্যাডো ক্যাবিনেট’-র মধ্যে কে কে আছে?
সূত্র উদ্ধৃত করে দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিদেশের কোনও জায়গা থেকে বসে লরেন্সের ঘনিষ্ঠরা পুরো নেটওয়ার্ক চালাচ্ছে। যে ‘শ্যাডো ক্যাবিনেট’ বা ঘনিষ্ঠ গ্রুপে আছে অনিল পন্ডিত, টাইসন বিষ্ণোই, হরমন সান্ধু, হিমাংশু সোনিপত এবং হরি বক্সার। তারাই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হয়ে লোক নিয়োগ করে, কাজের 'বরাত' দেয় এবং অন্যান্য কাজ করে থাকে।
তাছাড়াও সমান্তরালভাবে 'টার্গেট' বাছাই, টাকার জোগান, পরিকল্পনার কাজটা শুভম লোনকার, আরজু বিষ্ণোই এবং রণদীপ মালিকরা করে থাকে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটা সময় গ্যাংস্টার গোল্ডি ধিঁলোও পুরো ‘শ্যাডো ক্যাবিনেট’-র অংশ ছিল। তবে আমেরিকার এফবিআই অপারেশন চালু করার পরে ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ হয়ে গিয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
‘অপরাধ জগতে নিজেদের পরিচয় তৈরি করার জন্য হামলা চালায়’
আর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের ‘প্যাটার্ন’ নিয়ে দিল্লি পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেছেন, ‘যে শ্যুটাররা থাকে, তারা মূলত বেকার হয়। অনলাইনেই নিয়োগ করা হয়। হ্যান্ডলাররা কোথায় আছে অথবা বৃহত্তর অপারেশন কী, সেইসব বিষয়ে বিন্দুমাত্র ধারণা থাকে না। ওরা টাকা ও অস্ত্র পায়। আর অপরাধ জগতে নিজেদের পরিচয় তৈরি করার জন্য হামলা চালায়।’
'মাথা'-রা অনেকক্ষেত্রেই দেশে থাকে না
আর সেই পুরো নেটওয়ার্ক ‘চেন’ চিহ্নিত করা এবং প্রত্যেককে খুঁজে বের করার কাজটা মারাত্মক কঠিন বলে জানিয়েছেন ওই পুলিশ আধিকারিক। তাঁর বক্তব্য, হ্যান্ডলার এবং হামলাকারীদের মাধ্যমে কীভাবে যোগাযোগ হয়েছে, কীভাবে টাকা ও অস্ত্র পাঠানো হয়েছে, বিভিন্ন অপরাধমূলক ঘটনা একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত কিনা, সেইসব খুঁজে বের করা বেশ কঠিন। আর সেক্ষেত্রে সবথেকে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় সকলের কাছে পৌঁছানো। কারণ 'মাথা'-রা অনেকক্ষেত্রেই দেশে থাকে না। আর যদি না নিজেদের মাটিতে কোনও অপরাধ হয়, তাহলে আমেরিকা, ইউরোপ বা কানাডার থেকে সবসময় পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায় না।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


