VVS Laxman BCCI Speculation: ভারতীয় ক্রিকেটে ফের বড়সড় রদবদলের জল্পনা, লক্ষ্মণকে দেওয়া হতে পারে বড় পদ

জাতীয় দলের কোচের থেকেও বৃহত্তর পরিসরের দায়িত্ব হতে পারে এই পদটির। ভারতীয় ক্রিকেটের বিভিন্ন স্তরকে এক ছাতার তলায় আনা এবং জাতীয় দলের সঙ্গে নির্বাচক, কোচিং স্টাফ ও ক্রিকেট পরিকাঠামোর মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় তৈরি করাই হতে পারে এই পদে লক্ষ্মণের অন্যতম প্রধান কাজ।

Published on: Aug 14, 2026, 14:41:48 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

VVS Laxman BCCI Speculation: ভারতীয় ক্রিকেটে ফের বড়সড় রদবদলের জল্পনা শুরু হয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার ভিভিএস লক্ষ্মণকে দেখা যেতে পারে আরও গুরুত্বপূর্ণ এক ভূমিকায়। বর্তমানে বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের দায়িত্বে থাকা লক্ষ্মণকে এবার ‘ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট’ পদে আনার কথা ভাবছে বিসিসিআই—এমনই খবর বোর্ডের অন্দরে।

ভিভিএস লক্ষ্মণকে দেখা যেতে পারে আরও গুরুত্বপূর্ণ এক ভূমিকায়। (PTI)
ভিভিএস লক্ষ্মণকে দেখা যেতে পারে আরও গুরুত্বপূর্ণ এক ভূমিকায়। (PTI)

জাতীয় দলের কোচের থেকেও বৃহত্তর পরিসরের দায়িত্ব হতে পারে এই পদটির। ভারতীয় ক্রিকেটের বিভিন্ন স্তরকে এক ছাতার তলায় আনা এবং জাতীয় দলের সঙ্গে নির্বাচক, কোচিং স্টাফ ও ক্রিকেট পরিকাঠামোর মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় তৈরি করাই হতে পারে এই পদে লক্ষ্মণের অন্যতম প্রধান কাজ।

বিসিসিআই সূত্রে খবর, আগামী সেপ্টেম্বরেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন হতে পারে। জাতীয় নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান অজিত আগরকরের বর্তমান মেয়াদও সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। একইসঙ্গে জাতীয় দলের কোচিং কাঠামো নিয়েও বোর্ডের অন্দরে আলোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতেই লক্ষ্মণকে আরও বড় দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

তবে আগরকরের ক্ষেত্রেও এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তাঁর মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে খবর। ফলে নির্বাচক কমিটিতে আদৌ কোনও বড় পরিবর্তন হবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত নয়। সেপ্টেম্বরের বোর্ড বৈঠকেই বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে।

বর্তমানে লক্ষ্মণ বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের নেতৃত্বে রয়েছেন। ভারতীয় ক্রিকেটে ভবিষ্যতের তারকা তৈরির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা ক্রমশ বেড়েছে। চোট পাওয়ার পর ক্রিকেটারদের রিহ্যাবিলিটেশন, হাই-পারফরম্যান্স প্রোগ্রাম, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জাতীয় স্তরের ক্রিকেটারদের প্রস্তুতির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেখভাল করছেন লক্ষ্মণ।

নতুন দায়িত্ব পেলে সেই কাজের পরিধি আরও অনেকটা বাড়তে পারে। ‘ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট’ হিসেবে তিনি জাতীয় দলের সঙ্গে নির্বাচকদের সমন্বয়, কোচিং স্টাফের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের কাজের তদারকি, নতুন প্রতিভা খোঁজা এবং জুনিয়র থেকে সিনিয়র স্তর পর্যন্ত ক্রিকেটারদের উন্নয়নের উপর নজর রাখতে পারেন।

পাশাপাশি ভারতীয় ক্রিকেটের হাই-পারফরম্যান্স পরিকল্পনাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। অর্থাৎ শুধু জাতীয় দলের পারফরম্যান্স নয়, ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরির প্রক্রিয়া এবং গোটা ক্রিকেট কাঠামোর মধ্যে সমন্বয় তৈরি করাও হতে পারে লক্ষ্মণের দায়িত্ব।

জাতীয় দলের সঙ্গে অবশ্য তাঁর যোগাযোগ নতুন নয়। এর আগেও অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। সম্প্রতি জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ভারতীয় দলের কোচ ছিলেন লক্ষ্মণ। সেই সিরিজে তরুণ ভারতীয় দল ৩-০ ব্যবধানে জয় পায়। সেই সময় গৌতম গম্ভীর-সহ নিয়মিত কোচিং স্টাফকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। এই সাফল্যের পর লক্ষ্মণের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৪ সালে রাহুল দ্রাবিড়ের পর ভারতীয় দলের হেড কোচ হওয়ার সুযোগ থাকলেও সেই দায়িত্ব নেননি লক্ষ্মণ। তিনি বরং সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের দায়িত্বেই থেকে ভারতীয় ক্রিকেটের পরিকাঠামো তৈরির কাজে মন দেন। গত কয়েক বছরে সেই কাজেই তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

পরের বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার আগে ভারতীয় ক্রিকেটকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এমন সময়ে লক্ষ্মণের হাতে ‘ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তুলে দেওয়া হলে জাতীয় দল থেকে ঘরোয়া ও জুনিয়র ক্রিকেট—সব স্তরকে আরও কাছাকাছি আনার চেষ্টা হতে পারে।

তবে আপাতত সবটাই জল্পনার পর্যায়ে। বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে এখনও এই পদ বা লক্ষ্মণের নিয়োগ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তাই সেপ্টেম্বরের বোর্ড বৈঠকেই শেষ পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেটে কী বড় পরিবর্তন আসে, সেদিকেই নজর ক্রিকেটমহলের।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More