Supreme Court: 'সংশোধন' করা প্রয়োজন! বড় স্বস্তি বিজয় সরকারের, গো-হত্যা নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশে 'সুপ্রিম' স্থগিতাদেশ

Supreme Court: গত ২৭ মে মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি জি আর স্বামীনাথন এবং বিচারপতি ভি লক্ষ্মীনারায়ণের ডিভিশন বেঞ্চ ১৯৭৬ সালের আগস্ট মাসের একটি সরকারি আদেশ কার্যকরের মাধ্যমে নির্দেশ দেয় যে, বকরি ইদ হোক বা অন্য কোনও দিন, তামিলনাড়ুর কোথাও গোরু বা বাছুর জবাই করা যাবে না। 

Published on: Jul 13, 2026, 20:51:04 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Supreme Court: বড়সড় স্বস্তি তামিলনাড়ুর বিজয় সরকারের। রাজ্যে গোহত্যার উপর মাদ্রাজ হাইকোর্টের জারি করা সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার নির্দেশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, মাদ্রাজ হাইকোর্টের ওই নির্দেশ 'সংশোধন' করা প্রয়োজন।

বড় স্বস্তি বিজয় সরকারের
বড় স্বস্তি বিজয় সরকারের

গত ২৭ মে মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি জি আর স্বামীনাথন এবং বিচারপতি ভি লক্ষ্মীনারায়ণের ডিভিশন বেঞ্চ ১৯৭৬ সালের আগস্ট মাসের একটি সরকারি আদেশ কার্যকরের মাধ্যমে নির্দেশ দেয় যে, বকরি ইদ হোক বা অন্য কোনও দিন, তামিলনাড়ুর কোথাও গোরু বা বাছুর জবাই করা যাবে না। মাদ্রাজ হাইকোর্টের এই ‘পাইকারি নিষেধাজ্ঞা’র বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজয়ের নেতৃত্বাধীন তামিলনাড়ুর টিভিকে সরকার। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়, বিদ্যমান আইনে নির্দিষ্ট শ্রেণির গবাদিপশু নির্ধারিত স্থানে জবাইয়ের অনুমতি রয়েছে। তাই আইন যা অনুমোদন করে, তার বিপরীত কোনও বিচারিক নির্দেশ টেকসই হতে পারে না। মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি জি আর স্বামীনাথন এবং বিচারপতি ভি লক্ষ্মীনারায়ণের ডিভিশন বেঞ্চ দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের স্বার্থে ১৯৭৬ সালের সেই পুরনো আদেশটি জারির কথা উল্লেখ করেছিলেন।

রায়ে বিচারপতি স্বামীনাথন জোর দিয়ে বলেছিলেন, সংবিধানের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাজ্য সরকারের দায়িত্ব হলো গরু, বাছুর এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত ও মালবাহী গবাদি পশু জবাই নিষিদ্ধ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। এমনকী, গণপরিষদের বিতর্কের ইতিহাস টেনে তিনি উল্লেখ করেন যে, গরু একটি অত্যন্ত পূজনীয় প্রাণী ও হিন্দু ধর্মের ভগবান কৃষ্ণের সময় থেকেই এটি তাদের সভ্যতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রথাগতভাবে, মুসলিমরা স্থানীয় নিয়মকানুন মেনে বকরি ইদের সময় ব্যক্তিগত জায়গা ও ধর্মীয় জমায়েতে পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন। অন্যদিকে, তামিলনাড়ুর বেশ কিছু হিন্দু মন্দিরেও বার্ষিক উৎসবের সময় আচার মেনে পশু বলি দেওয়া হয়। সম্প্রদায়ের নেতাদের যুক্তি হল, এই ধরনের কোরবানি বা বলি শুধুমাত্র লাইসেন্সপ্রাপ্ত কসাইখানায় সীমাবদ্ধ রাখা অবাস্তব, কারণ উৎসবের সময়কার বিপুল চাহিদা সামলানোর মতো সক্ষমতা অনেক কসাইখানারই নেই।

তামিলনাড়ু সরকারের বক্তব্য হল, বিদ্যমান আইন-যার মধ্যে 'তামিলনাড়ু অ্যানিমেল প্রিজারভেশন অ্যাক্ট' (পশু সংরক্ষণ আইন) এবং কসাইখানা সংক্রান্ত অন্যান্য বিধিমালা অন্তর্ভুক্ত। ইতিমধ্যেই পশু জবাইয়ের স্থান ও শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু তা সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে না।