Lover stabs girlfriend: দিল্লিতে হাড়হিম-কাণ্ড! ছুরি মেরে প্রেমিকাকে খুন করে আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের, শোরগোল...
Lover stabs girlfriend: বৃহস্পতিবার সকালে হোটেলের কর্মীরা ঘর খুলে রক্তাক্ত অবস্থায় শিবানিকে পড়ে থাকতে দেখেন। মহিলা ততক্ষণে মারা গিয়েছেন।
Lover stabs girlfriend: রাজধানীতে হাড়হিম-কাণ্ড! দিল্লির লাহোরি গেট এলাকার একটি হোটেলে প্রেমিকাকে ছুরি মেরে খুনের পর বিষপান করে আত্মহত্যার করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকের বিরুদ্ধে (Lover stabs girlfriend)। বৃহস্পতিবার পুলিশ কর্মকর্তারা এই খবর নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত ওই মহিলার নাম শিবানি। তিনি বিহারের বাসিন্দা। তাঁর প্রেমিকের নাম প্রকাশ। বুধবার সন্ধ্যায় রাজস্থানের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি ও প্রেমিকা শিবানিকে নিয়ে দিল্লির লাহোরি গেট এলাকার হোটেল প্রিন্সে ওঠেন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাতে প্রকাশ একটি ছুরি দিয়ে শিবানিকে একাধিকবার আঘাত করেন বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত হন তিনি। তাঁকে ওই অবস্থায় রেখে বিষপান করেন ওই ব্যক্তিও। ধারণা করা হচ্ছে, আত্মহত্যার চেষ্টা হিসেবেই তিনি বিষপান করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার সকালে হোটেলের কর্মীরা ঘর খুলে রক্তাক্ত অবস্থায় শিবানিকে পড়ে থাকতে দেখেন। মহিলা ততক্ষণে মারা গিয়েছেন। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন তিনি। এদিকে, আহত অবস্থায় প্রকাশকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। পুলিশ ইতিমধ্যে শিবানির মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার নেপথ্যের কারণ জানতে জোরদার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এদিকে, এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।
অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে এক তরুণীর দেহ। খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না মৃতার স্বামীর। পুলিশ সূত্রের খবর, মৃতার নাম শিবানি ওরফে সুধা (২৭)। তিনি মধ্যপ্রদেশের দাতিয়া জেলার বাসিন্দা ছিলেন। বছর দু’য়েক আগে যশ নামে এক যুবকের সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে তাঁর পরিচয় হয়। তিনিও মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা ছিলেন। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন দু’জন। তারপর তাঁরা বিয়ে করেন। কর্মসূত্রে দু’জনেই উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতে থাকতেন। কিন্তু অভিযোগ, বিয়ের কিছু সময় পর থেকেই দু’জনের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। বিভিন্ন কারণে প্রায় দিনই তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হত। শুধু তাই নয়, তুচ্ছ কারণে যশ তাঁর স্ত্রীকে মারধর করতেন বলেও অভিযোগ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৩১ আগস্ট দম্পতির মধ্যে তুমুল বচসা হয়। অভিযোগ, শিবানিকে মারধরের পর যশ বাইরে থেকে ঘরের দরজা আটকে দিয়ে চলে যান। প্রতিবেশীদের দাবি, তারপর থেকে তরুণীর কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। শুধু তাই নয়, শিবানির পরিবারও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়। জানা গিয়েছে, তরুণীর ফোন বন্ধ ছিল। তখনই সন্দেহ হয় পরিবারের সদস্যদের। এরপরই তাঁরা ছুটে যান শিবানীর বাড়িতে। কিন্তু দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। দেরি না করে পুলিশে খবর দেন তাঁরা। পুলিশ এলে দরজা ভেঙে উদ্ধার করা শিবানীর দেহ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, তরুণীকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে, যার নেপথ্যে রয়েছে তাঁর স্বামী। তবে সবদিক খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।
E-Paper

