Marco Rubio: ভারতীয়দের নিয়ে জাতিবিদ্বেষী পোস্ট শেয়ার করেছিলেন ট্রাম্প, তা নিয়ে প্রশ্নবাণ রুবিওকে
মার্কো রুবিওকে বাউন্সার দিলেন ভাতরীয় সাংবাদিক। বিগত দিনে একাধিক ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে শুরু করে স্কট বেসেন্ট, পিটার নাভারো এবং হাওয়ার্ড লাটনিককে প্রতিনিয়ত ভারতবিরোধী, জাতিবিদ্বেষী মন্তব্য করে গিয়েছেন। দিল্লি সফররত রুবিওকে আজ তা নিয়ে নাম না করে প্রশ্ন করেন ভারতীয় সাংবাদিক।
ট্রাম্প প্রশাসনের ভারতবিদ্বেষী মন্তব্য নিয়ে মার্কো রুবিওকে বাউন্সার দিলেন ভাতরীয় সাংবাদিক। বিগত দিনে একাধিক ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে শুরু করে স্কট বেসেন্ট, পিটার নাভারো এবং হাওয়ার্ড লাটনিককে প্রতিনিয়ত ভারতবিরোধী, জাতিবিদ্বেষী মন্তব্য করে গিয়েছেন। দিল্লি সফররত রুবিওকে আজ তা নিয়ে নাম না করে প্রশ্ন করেন ভারতীয় সাংবাদিক। সেই বাউন্সারে রীতিমত হতচকিত হয়ে পড়েন রুবিও। রবিও সাবাদিককে পালটা প্রশ্ন করেন, কে এমন মন্তব্য করেছেন? তখন সাংবাদিক বলেন, খুব ভালো করেই জানেন স্যার আমি কাজের কথা বলছি। পরে ভারতবিদ্বেষী মন্তব্য করা মার্কিনিদের স্টুপিড বলে আখ্যা দেন তিনি।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আমেরিকান রেডিও উপস্থাপক মাইকেল স্যাভেজের একটি ভিডিও ও চিঠি শেয়ার করেন। ওই পোস্টে দাবি করা হয়, ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো নরকের মতো এবং এসব দেশের মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে আসে কেবল সন্তান জন্ম দিয়ে নাগরিকত্ব পাওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো ভারতকে লক্ষ্য করে বেশ কিছু বিতর্কিত ও ভারত-বিরোধী মন্তব্য করেছেন। একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে পিটার নাভারো অভিযোগ করেছিলেন যে, ভারতের নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায় বা 'ব্রাহ্মণরা' ভারতীয় সাধারণ জনগণের ক্ষতি করে নিজেদের মুনাফা অর্জন করছে। এদিকে তিনি ভারতকে 'ক্রেমলিনের জন্য লন্ড্রোম্যাট'। ইউক্রেন যুদ্ধকে বিতর্কিতভাবে ‘মোদীর যুদ্ধ’ বলেও আখ্যায়িত করেন। এছাড়াও তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতেও একাধিক ভারত বিরোধী পোস্ট করেছেন নাভারো। এদিকে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য ভারতের রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।
উল্লেখ্য, রবিবার নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে ভারত এবং আমেরিকার প্রতিনিধিদলের মধ্যে বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের পরই বড় এক ঘোষণা করেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, 'আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গোটা বিশ্ব একটা সুখবর পেতে চলেছে।' এই মন্তব্য তিনি ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দিয়েছেন নাকি ইরান যুদ্ধ বা অন্য কিছু, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। এদিকে মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠকে ভারত-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদারের বার্তা দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই বৈঠকের শুরুতেই আবার রুবিও বলেন, ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদারিত্বে পরিণত হয়েছে।
জয়শঙ্কর-রুবিও বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি, ইরান সংঘাত, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ এবং ভিসা সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রুট সচল রাখা নিয়ে দুই দেশই গুরুত্ব দিয়েছে। এর আগে শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও বৈঠক করেন রুবিয়ো। সেখানে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বশান্তি ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে ভারত ও আমেরিকা ভবিষ্যতেও একসঙ্গে কাজ করবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


