Ketan Agrawal Murder Case: 'কখনও কল্পনাও করিনি...,' কেতন আগরওয়াল হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক বিয়ের 'ম্যাচমেকার'

Ketan Agrawal Murder Case: কেতন আগরওয়ালের পরিবার সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। অভিযোগে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, পুণের লোহাগড় দুর্গে যাওয়ার আগে সিয়া অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন।

Published on: Jun 28, 2026, 12:38:16 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Ketan Agrawal Murder Case: যত দিন যাচ্ছে, তত যেন জটিল হচ্ছে এই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড। পুণের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের হত্যাকাণ্ডে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য উঠে আসছে। ইতিমধ্যেই পুলিশি জেরায় মুখ খুলতে শুরু করেছে সিয়া গোয়েল। এই ঘটনার তদন্তে এবার মিত্তাল পরিবারের ভূমিকা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

কেতন আগরওয়াল হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক বিয়ের 'ম্যাচমেকার'
কেতন আগরওয়াল হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক বিয়ের 'ম্যাচমেকার'

লোহাগড় দুর্গের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আসল মোটিভ বা উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখনও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিয়া কোনওভাবেই কেতনকে বিয়ে করতে চায়নি এবং গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চেতনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। অন্যদিকে, সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিয়া গোয়েলের মামা ও মামি, নরেন্দ্র মিত্তাল ও রেনু মিত্তাল, পুণের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে তাঁর বিয়ে ঠিক করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। গোয়েল পরিবারের বাকি সদস্যদের মতোই মিত্তাল পরিবারও বলেছে যে, কেতনের সঙ্গে সিয়ার বিয়ে ঠিক করার সময় চেতনের সম্পর্কের বিষয়ে তাঁদের কোনও ধারণাই ছিল না। তাঁরা পুলিশকে জানান, সিয়াকে কেতনের হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে জানতে পেরে তারা হতবাক হয়ে গেছেন। তাঁরা বলেন, ‘তাঁরা কখনও কল্পনাও করেননি যে সিয়া এমন একটি কাজ করতে পারে।’ সূত্র মতে, নরেন্দ্র মিত্তল তদন্তকারীদের জানিয়েছেন যে সিয়া ও কেতন দুজনকেই সুশীল, বিনয়ী ও সজ্জন বলে মনে হয়েছিল।

এদিকে, পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে সিয়া গোয়েলের ভাই সাহিল গোয়েল জানিয়েছেন, ক্রিকেটের মাঠেই পরিচয় হয় চেতন ও সিয়ার। সাহিলকে টানা ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। সেখানেই জানান, তাঁর ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে নিয়মিত যেতেন সিয়া। সেখানেই প্রথম চেতন চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে গত বছরের দীপাবলির একটি পার্টিতে আবার তাঁদের দেখা হয়। এরপর থেকেই দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। যদিও, সিয়ার বাবা-মা প্রথমে দাবি করেছিলেন, তাঁরা চেতনকে চিনতেন না। কিন্তু সাহিল জানিয়েছেন, তিনি চেতনকে আগে থেকেই চিনতেন। তদন্ত জারি থাকায় সিয়া ২৯ জুন পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। অন্যদিকে, কেতন আগরওয়ালের পরিবার সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। অভিযোগে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, পুণের লোহাগড় দুর্গে যাওয়ার আগে সিয়া অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন।কেতনের বাবা বিশাল দেবীচাঁদ আগরওয়াল এফআইআর-এ অভিযোগ করেছেন, কেতন সম্প্রতি পরিবারকে জানিয়েছিল সিয়া অস্বাভাবিক আচরণ করছে এবং সামান্য বিষয়ে প্রায়ই মেজাজ দেখাচ্ছে। ২৩ জুনের এফআইআর-এ আরও দাবি, ৪ জুন কেতন সিয়াকে নিয়ে যেতে রাজি না হওয়ায় তারা লোহাগড় দুর্গে যাওয়ার পরিকল্পনাটি বাতিল করে দেয়। এর ফলে সিয়া অত্যন্ত উত্তেজিত হয়ে পড়ে।

উল্লেখ্য, ১৮ জুন পুণের কাছে লোহাগড় দুর্গে একটি খাদে পড়ে মারা যান কেতন। প্রথমে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বলে মনে করা হয়েছিল, কারণ সিয়া কেতনের পরিবারকে জানিয়েছিলেন যে ট্রেকিংয়ের সময় তিনি পা পিছলে খাদে পড়ে গিয়েছিলেন। পরে অবশ্য ঘুরে যায় তদন্তের মোড়।