MEA on Bangladesh and Hafiz Trial: ‘সন্ত্রাসকে হারাতে যা দরকার..’ হাফিজ ইস্যুতে হাওয়া বোঝাল দিল্লি, বাংলাদেশ নিয়েও..

বাংলাদেশের প্রতি দিল্লির স্পষ্ট ইঙ্গিত,তিস্তা ইস্যুকে অন্যান্য বিষয় থেকে আলাদা না করে পূর্বপ্রতিষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক কাঠামোর ভেতরেই রাখা হবে।

Published on: Aug 18, 2026, 20:53:45 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল একাধিক প্রশ্নের উত্তর দেন। সেখানে, ভারতের ভোটগ্রহণ পদ্ধতি সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা নিয়ে জয়সোয়াল বলেন, ‘ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা ও বলিষ্ঠতা বিশ্বজুড়ে সুপ্রতিষ্ঠিত।’ এছাড়াও পাকিস্তানের লস্কর ই তৈবার জঙ্গি শিবিরের চিফ হাফিজ সইদের বিরুদ্ধে যে মুম্বই পুলিশ ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার ঘটনা নিয়ে ট্রায়াল ইন অ্যাবসেনশিয়া শুরু করছে, তা নিয়েও বক্তব্য রাখেন রণধীর জয়সোয়াল। বিদেশমন্ত্রকের তরফে বাংলাদেশ প্রসঙ্গেও উঠে আসে স্পষ্ট বার্তা।

‘সন্ত্রাসকে হারাতে যা দরকার..’ হাফিজ ইস্যুতে হাওয়া বোঝাল দিল্লি,বাংলাদেশ নিয়েও..(ANI Video Grab) (ANI Video Grab)
‘সন্ত্রাসকে হারাতে যা দরকার..’ হাফিজ ইস্যুতে হাওয়া বোঝাল দিল্লি,বাংলাদেশ নিয়েও..(ANI Video Grab) (ANI Video Grab)

ট্রায়াল ইন অ্যাবসেনশিয়া, অর্থাৎ, কারোর অনুপস্থিতিতে তাঁর বিরুদ্ধে চলা মামলা। জানা যাচ্ছে, ২০০৮ সালে মুম্বইতে পাকিস্তানি জঙ্গি হামলা ঘিরে পাকিস্তানি জঙ্গি শিবির লস্করের চিফ হাফিজ সইদের বিরুদ্ধে এই মামলা প্রক্রিয়া শুরু করছে মুম্বই পুলিশ। এই জন্য আইনজীবী উজ্জ্বল নিকমের কাছেও গিয়েছে মুম্বই পুলিশের সরকারি চিঠি। সেই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রকের তরফে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা এগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখি। সন্ত্রাসে সব থেকে বেশি ভয়ানকভাবে আঘাত পেয়েছে ভারত। আমরা গত কয়েক বছর ধরে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে পদক্ষেপ পোক্ত হয়। .. সন্ত্রাস নিয়ে আমাদের লড়াই চলবে। সন্ত্রাসবাদকে হারাতে যা যা পদক্ষেপ দরকার তা আমরা নেব, আর নিতেই থাকব।’ প্রসঙ্গত, পাকিস্তান যখন সৌদি আরব আর তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষার দিক থেকে মক্কা চুক্তিতে লিপ্ত, যখন তার ভারতে প্রভাব কী পড়তে পারে, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে তুঙ্গে শোরগোল, তখনই সন্ত্রাস ইস্যুতে পাকিস্তানের নাম না নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করে দিল ভারত।

এছাড়াও এদিন ফের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের কাছে প্রশ্ন যায়, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি নিয়ে। দিল্লি সাফ জানিয়েছে, প্রত্যর্পণ নিয়ে আমাদের একই অবস্থান এটাই যে, এই ধরনের অনুরোধ আমরা প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া দিয়ে খতিয়ে দেখছি। , বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে আসছেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, জয়সোয়াল নতুন কোনও তথ্য দেননি। এছাড়াও জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশের অতিরিক্ত জ্বালানির অনুরোধ ভারতের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ চাহিদা, শোধন ক্ষমতা এবং সরবরাহের বিষয়টি বিবেচনা করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সম্প্রতি ভারতের কাছে অতিরিক্ত ৮ হাজার লিটার জ্বালানি চেয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধার ভিত্তিতে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক জারি রাখতে চায় ভারত। তিস্তা চুক্তির প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে জলসংক্রান্ত যেকোনও আলোচনা বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক কাঠামোর মাধ্যমেই পরিচালিত হবে। দিল্লির স্পষ্ট ইঙ্গিত , তিস্তা ইস্যুকে অন্যান্য বিষয় থেকে আলাদা না করে পূর্বপ্রতিষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক কাঠামোর ভেতরেই রাখা হবে।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More