মুনির গিয়েছিলেন কিছুদিন আগে, সেই দেশের যুবরাজকে এবার ফোন মোদীর! তার আগে MEA বলল..
বিদেশমন্ত্রক মুখ খুলল ট্রাম্প, মোদী ফোন কল-এ মাস্কের উপস্থিতি ছিল কি না, তার বিষয়ে। এরপর জানা যায় প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধের মাঝে ফোন করেছেন সৌদির যুবরাজকে। কী কথা হয়েছে!
গত ৭ মার্চ ২০২৬ এ একাধিক রিপোর্টে উঠে আসে, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল তথা সিডিএফ আসিম মুনিরের সৌদি আরবে সফরের কথা। তখনও ইরান যুদ্ধের তেজ তুঙ্গে। সৌদির বুকে আমেরিকার পর পর ঘাঁটি ওড়াতে ব্যস্ত ইরান। এদিকে, প্রতিরক্ষায় সৌদির সঙ্গে পাকিস্তানের এক বড়সড় চুক্তি রয়েছে। সেই জায়গা থেকে যুদ্ধের মাঝেই সৌদি ছুটে গিয়েছিলেন মুনির। দেখা করেছিলেন সেদেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে। এছাড়াও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও মুনিরকে সঙ্গে নিয়ে সৌদি আরবের যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনের সঙ্গে দেখা করেন। এবার সেই সৌদি আরবেই ফোন গেল দিল্লি থেকে। এদিন নরেন্দ্র মোদী ফোন করেন সৌদির যুবরাজ সলমনকে। এদিকে, তার আগে নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক রিপোর্টে দাবি করা হয় যে, মোদী-ট্রাম্প ফোন কল-এ নাকি ছিলেন ইলন মাস্ক! যে দাবি বিদেশমন্ত্রকের তরফে নস্যাৎ করা হয়েছে।

কিছুদিন আগে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা হয়। নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরের দাবি, সেই ফোনালাপের মাঝে নাকি ঢুকে পড়েছিলেন ইলন মাস্ক। এই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, 'প্রতিবেদনটি আমরা দেখেছি। গত ২৪ মার্চ টেলিফোনে ওই কথোপকথনটি শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং (আমেরিকার) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যেই হয়েছিল। যেমনটা আগেই জানানো হয়েছে। এই আলোচনায় পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে উভয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।'
এদিকে, এর পরই বিকেল গড়াতেই জানা যায়, নরেন্দ্র মোদীর ফোন গিয়েছে সৌদির যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনের কাছে। এক পোস্টে নরেন্দ্র মোদী জানান, 'সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী, মহামান্য প্রিন্স মহম্মদ বিন সালমানের সাথে কথা বলেছি এবং পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাত নিয়ে আলোচনা করেছি।' মোদী জানিয়েছেন, 'আমি আঞ্চলিক জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা পুনর্ব্যক্ত করেছি।' উল্লেখ্য, ইরানে যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হতেই যে জ্বালানি-উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বিশ্বজুড়ে, তা নিয়েও দুই তরফে কথা হয়েছে। নৌপথ ও বাণিজ্য পথের নিরাপত্তা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যে, এই অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন সামুদ্রিক চলাচল নিশ্চিত করার গুরুত্বের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদী তাঁর পোস্টে লেখেন, 'আমরা নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং নৌপথগুলো খোলা ও সুরক্ষিত রাখার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত হয়েছি।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


