Modi on Bangladesh Vote: দিল্লিতে বসে ভোট প্রত্যাখ্যান হাসিনার, বাংলাদেশের ভোটে জয় নিয়ে তারেক রহমানকে কী বার্তা মোদীর?
এর আগে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পরে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নিজে গিয়ে দেখা করে এসেছিলেন তারেকের সঙ্গে। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশি হাইকমিশনে গিয়ে শোকবার্তা লিখেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। লোকসভা এবং রাজ্যসভায় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল।
বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে জয় নিশ্চিত হয়েছে বিএনপির। আর বিজয়ী হওয়ার পরই তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারেকের উদ্দেশ্যে বার্তায় মোদী বলেন, 'বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি জনাব তারেক রহমানকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। এই জয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার পরিচয় দেয়। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়াবে। আমাদের বহুমুখী সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে আগ্রহী। আমাদের সাধারণ উন্নয়ন লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে আমি আপনার সাথে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।'

ভারত যে বিএনপির সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক, সেই বার্তা দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকাকে দিচ্ছিল দিল্লি। এর আগে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পরে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নিজে গিয়ে দেখা করে এসেছিলেন তারেকের সঙ্গে। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশি হাইকমিশনে গিয়ে শোকবার্তা লিখেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। লোকসভা এবং রাজ্যসভায় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল। এই আবহে ঢাকায় তারেকের সরকার গঠিত হলে মোদী সরকার তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে চলতে চাইবে।
এর আগে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে দিল্লিতে বসে বার্তা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের তরফ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে হাসিনা বলেন, 'প্রহসনের নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করায় দেশবাসীকে ধন্যবাদ।' উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলেও ভোটের হার ছিল ৫০ শতাংশের আশেপাশে। ঢাকার আসনগুলিতে ভোটের হার ৫০ শতাংশেরও নীচে। সেভাবে উল্লেখযোগ্য হারে কোথাও ভোট পড়েনি বাংলাদেশে। যদিও গত নির্বাচন থেকে এবারের ভোটের হার বেশি। এই আবহে হাসিনা বলেছিলেন, 'অবৈধ এবং অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী ইউনুসের তথাকথিত নির্বাচন ছিল মূলত একটি সুপরিকল্পিত প্রহসন। জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংবিধানের চেতনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আয়োজন করা হয়েছে আওয়ামী লীগবিহীন- ভোটারবিহীন প্রতারণামূলক নির্বাচন।'
উল্লেখ্য, ৩০০টি আসনের মধ্যে ২০০টিরও বেশি আসনে বিএনপি এবং তাদের জোটসঙ্গীরা জয়ী হয়েছে। তবে নিজেদের সবথেকে 'সম্ভাবনাময়' নির্বাচনে জামাতে ইসলামি জোট ৫০ পার করেছে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২টি আসনে লড়েছিলেন। দুটি আসনেই তিনি জয়ী হয়েছেন। এছাড়া বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগির জয়ী হয়েছেন। তাছাড়া শালাহউদ্দিন, মির্জা আব্বাসের মতো নেতারাও জয়ী হয়েছেন। এদিকে বিএনপির টিকিটে লড়াই করা শীর্ষ স্থানীয় দুই হিন্দু নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং নিতাই রায় চৌধুরী জয়ী হয়েছেন ভোটে। বিএনপি এবারের ভোটে মোট ৬ জন সংখ্যালঘু প্রার্থীকে টিকিট দিয়েছিল।
E-Paper












