Shikhar Dhawan: প্রবাসী বাঙালি বউয়ের হাতে ‘নির্যাতিত’ শিখর দ্বিতীয় বিয়ে সারলেন,পাত্রী বিদেশি! নতুন মিসেস ধাওয়ানকে চিনুন

ডিভোর্সি-দুই সন্তানের মা আয়েশাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন শিখর ধাওয়ান। কিন্তু সুখের হয়নি দাম্পত্য। বউয়ের হাতে মানসিক নির্যাতনের শিকার শিখরের বিয়ে ভাঙে ২০২৩-এর সেপ্টেম্বরে। প্রায় আড়াই বছর পর জীবনের নয়া ইনিংস শুরু করলেন ধাওয়ান। য়

Published on: Feb 21, 2026, 23:32:14 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ব্যক্তিগত জীবনের দীর্ঘ লড়াই আর বিচ্ছেদ যন্ত্রণা সরিয়ে রেখে অবশেষে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘গব্বর’ শিখর ধাওয়ান। শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দিল্লির এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিনের বান্ধবী সোফি শাইনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন তিনি।

প্রবাসী বাঙালি বউয়ের হাতে অত্যাচারিত শিখর দ্বিতীয় বিয়ে সারলেন, পাত্রী বিদেশি!
প্রবাসী বাঙালি বউয়ের হাতে অত্যাচারিত শিখর দ্বিতীয় বিয়ে সারলেন, পাত্রী বিদেশি!

মণীশ মালহোত্রার ডিজাইনার পোশাকে সেজেছিলেন নবদম্পতি। বিয়ের আনুষ্ঠানিক ছবি শেয়ার করে সোফিকে, ‘মিসেস ধাওয়ান’ বলে ফ্যানেদের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিলেন টিম ইন্ডিয়ার একদা মারকুটে ওপেনিং ব্যাটার।

বিয়ের পোশাক

সোফি শাইন ও শিখর ধাওয়ান তাঁদের বিশেষ দিনের জন্য বেছে নিয়েছিলেন আইভরি রঙা (হাতির দাঁতের মতো সাদা) রাজকীয় পোশাক। প্রচলিত লাল বা গোলাপি লেহেঙ্গা থেকে সরে এসে সোফির এই আইভরি লুকে ছিল আভিজাত্যের ছোঁয়া।

মণীশ মালহোত্রার ডিজাইন করা আইভরি সিল্কের লেহেঙ্গায় ছিল কোরাল, পিচ এবং সেজ গ্রিন রঙের ফ্লোরাল এমব্রয়ডারি। তাঁর ব্লাউজে ছিল মুক্তোর কাজ, যা একটি ভিন্টেজ লুক দিয়েছিল। সঙ্গে ছিল কুন্দন ও পান্নার ভারী গয়না। বউকে টেক্কা দিতে শিখর ধাওয়ান পরেছিলেন একটি ক্লাসিক সাদা এমব্রয়ডারি করা শেরওয়ানি এবং মাথায় ম্যাচিং সাফা। তাঁর গলার লম্বা পান্নার মালা (Emerald Mala) পুরো সাজে এক রাজকীয় আভিজাত্য যোগ করেছিল।

দিল্লি ও সংলগ্ন এনসিআর এলাকায় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং পরিবারের উপস্থিতিতে এই বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অহেতুক জাঁকজমক এড়িয়ে তাঁরা এক শান্ত ও স্নিগ্ধ পরিবেশে জীবনের এই নতুন অধ্যায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। বন্ধু এবং ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহাল বিয়ের প্রথম ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখেন— ‘মেরে ইয়ার কি শাদি হ্যায়’।

সম্পর্কের রসায়ন:

শিখর ও সোফি গত কয়েক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। ২০২৫ সালের মে মাসে তাঁরা প্রথমবার জনসমক্ষে আসেন এবং ২০২৬ সালের ১২ জানুয়ারি তাঁদের বাগদানের কথা ঘোষণা করেন। সোফি শাইন বর্তমানে ‘শিখর ধাওয়ান ফাউন্ডেশন’-এর প্রধান হিসেবে কর্মরত এবং শিখরের পেশাদার ও ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময়ে তাঁর পাশে থেকেছেন।

কে এই সোফি শাইন?

সোফি শাইন একজন ব্রিটিশ নাগরিক, যিনি বর্তমানে দুবাই এবং লন্ডনের মধ্যে যাতায়াত করেন। সোফি মূলত একজন ফ্যাশন মডেল এবং সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। ফ্যাশন দুনিয়ায় তাঁর বেশ পরিচিতি রয়েছে এবং তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সাথে কাজ করেছেন। তিনি যুক্তরাজ্যে বেড়ে উঠেছেন।

দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু:

২০২৩ সালে আয়েশা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘ ১১ বছরের দাম্পত্যের বিচ্ছেদের পর শিখর ধাওয়ান আবার ভালোবাসার আশ্রয় খুঁজে পেলেন। বিয়ের ছবিতে তাঁদের দুজনের চওড়া হাসি এবং একে অপরের প্রতি বিশ্বাস দেখে আপ্লুত ক্রিকেট দুনিয়া ও তাঁদের অগুনতি অনুরাগী।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More