Mutton Crisis in Kashmir: কাশ্মীর জুড়ে পাঁঠার মাংসের আকাল! কেন? পঞ্জাবকে ঘিরে বড় অভিযোগ, মানকে চিঠি ওমরের
ওমর জানান যে, ‘অল কাশ্মীর হোলসেল মটন ডিলার্স ইউনিয়ন’ তাঁর নজরে বিষয়টি এনেছে, ইউনিয়নটি অভিযোগ করেছে যে জম্মু ও কাশ্মীরের গবাদি পশু ব্যবসায়ী ও পরিবহনকারীরা পাঞ্জাব হয়ে যাতায়াতের সময় গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
রোগান জোশ, ইয়াখনি পোলাও, গোস্তাবার মতো খাবারের পদ, কাশ্মীর উপত্যকার অন্যতম পরিচিতি! আর সেই কাশ্মীরে এবার পাঁঠার মাংসের আকাল। বেশ কিছু রিপোর্ট বলছে, শুধু যে পাঁঠার মাংস তা নয়। ভেড়ার মাংস ঘিরেও কমতি দেখা যাচ্ছে ভূস্বর্গে। কিন্তু কেন? নেপথ্যে উঠে আসছে এক বড় অভিযোগ। আর সেই অভিযোগ পঞ্জাবকে ঘিরে। ঘটনা নিয়ে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভাগবন্ত মানের পদক্ষেপের আর্জি জানিয়ে,তাঁকে চিঠি লিখেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।

কাশ্মীর জুড়ে পাঁঠার মাংসের বিক্রেতাদের ধর্মঘটের জেরে উপত্যকার বাজারে পাঁঠার মাংসের আকাল দেখা যাচ্ছে। অভিযোগ, পাঞ্জাবের হাইওয়েতে গবাদি পশু পরিবহনকারীদের কাছ থেকে হয়রানি ও অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগ করছেন ব্যবসায়ীরা। ওমর জানান যে, ‘অল কাশ্মীর হোলসেল মটন ডিলার্স ইউনিয়ন’ তাঁর নজরে বিষয়টি এনেছে, ইউনিয়নটি অভিযোগ করেছে যে জম্মু ও কাশ্মীরের গবাদি পশু ব্যবসায়ী ও পরিবহনকারীরা পাঞ্জাব হয়ে যাতায়াতের সময় গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে ওমর গত ২৩ জুন, পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভাগবন্ত মানকে চিঠি পাঠান। অভিযোগ, দিল্লি, হরিয়ানা, আম্বালা, রাজস্থান এবং উত্তর ভারতের অন্যান্য অঞ্চল থেকে গবাদি পশু পরিবহনকারী ব্যবসায়ীরা পাঞ্জাব হয়ে যাওয়ার সময় অনুমোদনহীন ফি আদায় এবং বারবার গাড়ি থামানোর মতো পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন। অভিযোগ,ত পশু পরিবহনকারী ব্যবসায়ীরা বৈধ পারমিট ও সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও বারবার রাস্তায় তাঁদের থেকে অবৈধভাবে ফি নেওয়া হচ্ছে পঞ্জাবের অন্দরে। ওমর লিখেছেন যে, এই ধরনের বাধার ফলে পরিবহনকারীদের জন্য পরিহারযোগ্য বিলম্ব, আর্থিক ক্ষতি ও নানাবিধ ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এবং পাশাপাশি তা প্রাণিকল্যাণের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলছে। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়ে ওমর লেখেন,'আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখার এবং পাঞ্জাবের মধ্য দিয়ে গবাদি পশু বহনকারী যানবাহনগুলোর সুষ্ঠু, নিরাপদ ও বাধাহীন চলাচল নিশ্চিত করার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।' রিপোর্ট বলছে, ওমর তাঁর চিঠিতে বার্তা দিয়েছেন, পাঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মীরের মধ্যে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক পারস্পরিক নির্ভরতার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, যে, এই ধরনের কোনও কার্যকলাপ যদি সত্যিই ঘটে থাকে, তবে তা দুই রাজ্যের মধ্যে থাকা সহযোগিতার চেতনার পরিপন্থী।
কাশ্মীর মটন ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক সদস্য বলছেন, ‘গত বছর পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের প্রতি ট্রাকে প্রায় ১০,০০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হতো। গত বছর পাঞ্জাবে অননুমোদিত ট্রানজিট কর হিসেবে আমরা প্রায় ১৮ কোটি টাকা দিয়েছি। এখন পাঞ্জাব দিয়ে যাতায়াতকারী গবাদি পশু বহনকারী প্রতিটি গাড়ির জন্য তারা আমাদের ২০,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা দিতে বাধ্য করছে।’ তিনি অভিযোগ করেছেন যে, পাঞ্জাবে ঠিকাদার গোষ্ঠীগুলো গবাদি পশু বোঝাই ট্রাকগুলোকে প্রায়শই একাধিক তল্লাশি চৌকিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখে। এরপর পাঁঠার মাংস-কাণ্ডে পঞ্জাবের তরফে ভাগবন্ত মান, আসন্ন পঞ্জাব বিধানসভা ভোটের আগে কোন পদক্ষেপ করেন সেদিকে তাকিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


