Sign in

Mysterious Death: দরজায় টোকা দিয়েও সাড়া মেলেনি! আবাসনে বিচারকের রহস্যমৃত্যুতে চাঞ্চল্য দিল্লিতে

Mysterious Death: দিল্লি জুডিশিয়াল সার্ভিসের (ডিজেএস) উজ্জ্বল মেধাবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন আমান কুমার শর্মা (৩০)।

Published on: May 3, 2026, 12:39:28 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Mysterious Death: খাস দিল্লিতে এক বিচারকের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার সফদরজং এলাকায় নিজের বাসভবন থেকে উদ্ধার হয় বিচারক আমান কুমার শর্মার দেহ। তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশের অনুমান, তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে আত্মহত্যার কারণ এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তাঁর পরিবারের সদস্যদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

বিচারকের রহস্যমৃত্যু (সৌজন্যে টুইটার)
বিচারকের রহস্যমৃত্যু (সৌজন্যে টুইটার)

দিল্লি জুডিশিয়াল সার্ভিসের (ডিজেএস) উজ্জ্বল মেধাবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন আমান কুমার শর্মা (৩০)। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, দুপুর পৌনে দুটো নাগাদ সফদরজং এনক্লেভ থানায় একটি ফোন আসে। ডিফেন্স কলোনির বাসিন্দা শিবম নামে এক ব্যক্তি ফোন করে জানান, তাঁর জামাইবাবু বাড়ির বাথরুমে আত্মহত্যা করেছেন। এই ফোনটি পাওয়ার পর পুলিশের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং তদন্ত শুরু করে। দিল্লি পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন।

তবে বিচারকের পরিবারের দাবি, স্ত্রীর হেনস্থার জেরেই আমান কুমার শর্মা এই চরম সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। মৃত বিচারকের আত্মীয় রাজেশ শর্মা জানিয়েছেন, বেশ কিছু দিন ধরে তরুণ বিচারক এবং তাঁর স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি চলছিল। আমন কুমারের বাবা শুক্রবার আলওয়ার থেকে দিল্লি এসেছিলেন। ছেলের ফোন পেয়েই তিনি মধ্যরাতে দিল্লি পৌঁছন। ওই এক আত্মীয়ের ভাষ্যমতে, আমান আগের দিন রাত ১০টার দিকে তার বাবাকে ফোন করে বলেছিলেন, ‘আমি খুব সমস্যায় আছি, আমার বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।’ পুলিশ জানিয়েছে, বিচারক তাঁর বাবাকে জানিয়েছিলেন, গত দুই মাস ধরে তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। আরও অভিযোগ, বিচারকের শ্যালিকাও স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয়ে অহেতুক নাক গলাতেন। তবে ঘটনার সময়ে বাড়িতে বিচারকের স্ত্রী ও বাবা দুজনেই উপস্থিত ছিলেন। ওই আত্মীয় বলেন, 'যখন বাবা আমানের ফোনে কল করেন, তখন বাথরুমের ভেতর থেকে শব্দ আসছিল। বারবার দরজায় টোকা দেওয়া সত্ত্বেও কোনও সাড়া মেলেনি।' তবে ঘটনার সময় বাড়িতে অন্য কেউ ছিল কিনা বা কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে কিনা, তা নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি পুলিশ। তাঁর পরিবারের সদস্যদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, আমান কুমার শর্মা ২০১৮ সালে পুণের সিম্বায়োসিস ল স্কুল থেকে আইনে স্নাতক হন। ২০২১ সালের ১৯ জুন তিনি দিল্লি জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি একাধিক ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার দায়িত্ব সামলেছেন। এছাড়া বিভিন্ন আদালতে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে তিনি কড়কড়ডুমা আদালতের উত্তর-পূর্ব জেলার ডিস্ট্রিক্ট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির (ডিএলএসএ) পূর্ণকালীন সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।