Mysterious Death: পুলিশকে ফ্ল্যাটের মালকিন জানিয়েছেন, গত ৩ বছর ধরে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া ছিলেন তরুণী। গত ২৩ এপ্রিল তাঁকে শেষবার ফ্ল্যাটের বাইরে দেখা গিয়েছিল। সে সময় তিনি মুদির দোকানের জিনিসপত্র কিনতে গিয়েছিলেন।
Mysterious Death: বেঙ্গালুরুর একটি ফ্ল্যাট থেকে ৩৪ বছরের এক তরুণীর রহস্যজনক মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা ওই তরুণীর বেঙ্গালুরুর অ্যাপার্টমেন্টটিতে একাই থাকতেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত পূজা দত্ত (৩৪) একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী ছিলেন। আদতে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের মেয়ে পূজা কর্মসূত্রে বেঙ্গালুরুতে একটি ভাড়ার ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন।
সোমবার পূজা দত্তের ফ্ল্যাট থেকে পচা গন্ধ বার হতে থাকলে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে পূজার নিথর দেহ উদ্ধার করে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ফ্ল্যাটের ঘরের মেঝেতে রক্তের স্রোতে পড়ে ছিল পূজার নিথর নগ্ন দেহ। তাঁর দেহে পচন ধরতে শুরু করেছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যে দিন দেহ উদ্ধার হয়েছে, তার তিন-চার দিন আগেই মৃত্যু হয়েছে পূজার। পুলিশ জানিয়েছে, কোনও সুইসাইড নোট ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়নি। তবে একাধিক ছেঁড়া কাগজপত্র পাওয়া গিয়েছে ফ্ল্যাটের বিভিন্ন অংশ থেকে। ফলে আত্মহত্যার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের ধারণা, ফ্ল্যাটের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে আত্মঘাতী হয়েছেন পূজা দত্ত।
পুলিশকে ফ্ল্যাটের মালকিন জানিয়েছেন, গত ৩ বছর ধরে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া ছিলেন তরুণী। গত ২৩ এপ্রিল তাঁকে শেষবার ফ্ল্যাটের বাইরে দেখা গিয়েছিল। সে সময় তিনি মুদির দোকানের জিনিসপত্র কিনতে গিয়েছিলেন। এই ঘটনায় পুলিশ একটি রহস্যজনক মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে এবং জানিয়েছে, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।
অন্যদিকে, স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে সুরাটের বাসিন্দা ৪০ বছর বয়সি বিশাল সালভিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, পরকীয়ার অভিযোগে স্ত্রীকে হত্যা করে কাঠের বাক্সে সিমেন্ট ও ফেনার মধ্যে রেখে দেয় কর্মহীন বিশাল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শিল্পা ও বিশাল ২০১০ সালে বিয়ে করেন। তাদের ১৩ ও ৮ বছর বয়সি দু’টি ছেলে রয়েছে। শিল্পা খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ে এমএসসি ডিগ্রিধারী ছিলেন এবং কর্পোরেশন পরিচালিত সুরাট মিউনিসিপ্যাল ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ-এ ডায়েটিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। জানা গেছে, তিনি সম্প্রতি নিজের একটি ক্লিনিক খুলেছিলেন। অন্যদিকে, বিশাল একটি হিরে পালিশের কারখানায় কাজ করতেন এবং গত কয়েক বছর ধরে বেকার ছিলেন।