Modi Invited By BNP: বদলাচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সমীকরণ? তারেকের শপথে আমন্ত্রিত মোদী, ঢাকা যাবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হল নরেন্দ্র মোদীকে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি অবশ্য মোদীর পক্ষে ঢাকায় যাওয়া কঠিন। সেদিন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে মোদীর বৈঠক করার কথা।

Published on: Feb 15, 2026 9:15 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কে চিড় ধরেছে ইউনুস জমানায়। তবে তারেক রহমান সরকার গঠন করলে সেই সমীকরণে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ভারতের তরফ থেকে বিএনপিকে এই নিয়ে বার্তা দেওয়া হয়েছে। আর বিএনপি-ও পালটা বার্তা দিয়েছে ভারতকে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হল নরেন্দ্র মোদীকে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি অবশ্য মোদীর পক্ষে ঢাকায় যাওয়া কঠিন। সেদিন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে মোদীর বৈঠক করার কথা।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হল নরেন্দ্র মোদীকে। (AP)
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হল নরেন্দ্র মোদীকে। (AP)

উল্লেখ্য, ভোটে জয় নিশ্চিত হতেই তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারেকের উদ্দেশ্যে বার্তায় মোদী বলেন, 'বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি জনাব তারেক রহমানকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। এই জয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার পরিচয় দেয়। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়াবে। আমাদের বহুমুখী সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে আগ্রহী। আমাদের সাধারণ উন্নয়ন লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে আমি আপনার সাথে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।'

এদিকে ভারত যে বিএনপির সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক, সেই বার্তা দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকাকে দিচ্ছিল দিল্লি। এর আগে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পরে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নিজে গিয়ে দেখা করে এসেছিলেন তারেকের সঙ্গে। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশি হাইকমিশনে গিয়ে শোকবার্তা লিখেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। লোকসভা এবং রাজ্যসভায় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল। এই আবহে ঢাকায় তারেকের সরকার গঠিত হলে মোদী সরকার তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে চলতে চাইবে।

এই আবহে তারেকের সরকারের সঙ্গে ভারতের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিএনপি প্রধান বলেন, 'আমরা আমাদের বিদেশনীতি নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি। এই নীতি তৈরি হবে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশিদের স্বার্থের উপর। সেখানে সর্বদাই বাংলাদেশ এবং দেশের নাগরিকদের স্বার্থ অগ্রাধিকার পাবে। সেই ভিত্তিতে আমরা আমাদের বিদেশনীতি ঠিক করব।' এদিকে বিএনপি-র শীর্ষনেতা তথা তারেকের বিদেশ উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, 'ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলকে প্রভাবশালী হিসাবে গড়ে তোলা তারেকের বিদেশনীতিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই তারেকের শপথে নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই আমন্ত্রণও বিদেশনীতিরই অংশ।'