Nasiruddin Patwari: 'মুসলমানরা যদি সজাগ না থাকে…', পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জিততেই 'গেরুয়া পতাকার' আতঙ্কে বাংলাদেশের নেতা
Nasiruddin Patwari: এনসিপি নেতা বলেন, 'সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জয়ী হয়েছে। এটা একটা গেরুয়া পতাকা। এই গেরুয়া পতাকা বাংলাদেশের কাছে এসে গেছে। মুসলমানরা যদি সজাগ না থাকে, যদি ইমানি শক্তি না থাকে, তাহলে কিন্তু এই পতাকা আমরা ঠেকাতে পারব না।'
Nasiruddin Patwari on BJP winning WB: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জেতায় যেন 'আতঙ্কিত' বাংলাদেশের এনসিপি নেতা নাসিরউদ্দিন পাটওয়ারি। এই আবহে মুসলিমদের 'জেগে উঠতে' বললেন নাসিরউদ্দিন। তাঁর কথায়, গেরুয়া পতাকা তাদের কাছে চলে এসেছে। এই আবহে মসজিদভিত্তিক সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে বলে দাবি তাঁর। এনসিপি নেতা বলেন, 'সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জয়ী হয়েছে। এটা একটা গেরুয়া পতাকা। এই গেরুয়া পতাকা বাংলাদেশের কাছে এসে গেছে। মুসলমানরা যদি সজাগ না থাকে, যদি ইমানি শক্তি না থাকে, তাহলে কিন্তু এই পতাকা আমরা ঠেকাতে পারব না।'

নাসিরউদ্দিন বলেন, 'গত ১৫ বছরে অনেক আলেমের ওপরে নির্যাতন হয়েছে। অনেক মানুষ অনেক কষ্টে ছিল। আমরা সবাই যদি একটি কাঠামো তৈরি করতে পারি, তাহলে আমাদের বাংলাদেশ নতুনভাবে পরিবর্তন হবে। আমরা সবাইকে মসজিদে আসতে বলি, কারণ আমরা চাই সবাই মসজিদমুখী হোক। মসজিদভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠুক। সমাজ পরিবর্তনে মসজিদভিত্তিক সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।'
তিনি বলেন, 'মসজিদের সঙ্গে স্কুল, হাসপাতাল ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম যুক্ত করা গেলে অসহায় মানুষ সহজে শিক্ষা, চিকিৎসা ও সহযোগিতা পাবে। বিশেষ করে অনাথ, অসহায় নারী ও দরিদ্র পরিবারের পাশে মসজিদ কমিটিকে এগিয়ে আসতে হবে। মুসলমানরা যদি সজাগ না থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যেসব হুমকি ও ষড়যন্ত্র আসছে, তা মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না।'
এদিকে পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক তথা বাংলাদেশের সাংসদ নাহিদ ইসলাম। নাহিদ ইসলাম বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘুদের জোরপূর্বক বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার যেকোনো চেষ্টা এই অঞ্চলে নতুন মানবিক সংকট সৃষ্টি করতে পারে। ভারতে বসবাসরত সব সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


