NCERT Syllabus: এনসিইআরটি-র নয়া উদ্যোগ! নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাসে যুক্ত হচ্ছে AI-কম্পিউটেশনাল থিঙ্কিং

NCERT Syllabus: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে যেমন আশাবাদ রয়েছে, তেমনই এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়েও আলোচনা চলছে। তাই নতুন মডিউলে শুধু এআই-এর সুবিধা বা বিভিন্ন টুলের ব্যবহার শেখানো হবে না, প্রযুক্তিটির নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কেও পড়ুয়াদের ধারণা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

Published on: Oct 24, 2026, 14:59:54 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

NCERT Syllabus: স্কুলের পাঠ্যক্রমে এবার আরও গুরুত্ব পেতে চলেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য এআই পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (NCERT)। নতুন মডিউলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রাথমিক ধারণা, বিভিন্ন এআই টুলের ব্যবহার এবং দৈনন্দিন জীবনে এই প্রযুক্তির প্রভাব সম্পর্কে শেখানো হবে বলে খবর। নতুন পাঠ্যক্রমে শুধু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই নয়, যুক্ত হতে চলেছে ‘কম্পিউটেশনাল থিঙ্কিং’ও (CT)।

এনসিইআরটি-র নয়া উদ্যোগ! নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাসে যুক্ত হচ্ছে AI-কম্পিউটেশনাল থিঙ্কিং
এনসিইআরটি-র নয়া উদ্যোগ! নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাসে যুক্ত হচ্ছে AI-কম্পিউটেশনাল থিঙ্কিং

বর্তমান সময়ে শিক্ষা থেকে শুরু করে চিকিৎসা, ব্যবসা, যোগাযোগ এবং কর্মক্ষেত্র—বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ছে। ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর দুনিয়ার সঙ্গে পড়ুয়াদের পরিচিত করে তুলতে স্কুলস্তর থেকেই এআই সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই এনসিইআরটি-র এই উদ্যোগ বলে জানা যাচ্ছে। একই সঙ্গে নতুন পাঠ্যক্রমে যুক্ত হবে ‘কম্পিউটেশনাল থিঙ্কিং।’ কোনও সমস্যাকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করা, সেটিকে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করা এবং পরিকল্পিতভাবে সমাধানের পথ খুঁজে বের করাই এই পদ্ধতির মূল লক্ষ্য। পড়ুয়াদের মধ্যে যুক্তি দিয়ে চিন্তা করা, সমস্যা বিশ্লেষণ করা এবং ধাপে ধাপে সমাধানে পৌঁছনোর দক্ষতা গড়ে তুলতে এই বিষয়টি সাহায্য করবে। প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি সমস্যা সমাধানের পদ্ধতি শেখার সুযোগও তৈরি হবে।

এআই-এর ভালো-মন্দ দু’দিকই জানবে পড়ুয়ারা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে যেমন আশাবাদ রয়েছে, তেমনই এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়েও আলোচনা চলছে। তাই নতুন মডিউলে শুধু এআই-এর সুবিধা বা বিভিন্ন টুলের ব্যবহার শেখানো হবে না, প্রযুক্তিটির নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কেও পড়ুয়াদের ধারণা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এআই কীভাবে কাজ করে, দৈনন্দিন জীবনে কীভাবে তার প্রভাব পড়ে এবং কোন পরিস্থিতিতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে—এমন বিষয় পাঠ্যক্রমে গুরুত্ব পাবে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে পড়ুয়ারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে শুধু একটি প্রযুক্তি হিসেবে নয়, তার ব্যবহার ও সীমাবদ্ধতার দিক থেকেও বুঝতে পারবে।

সূত্রের খবর, যেসব স্কুলে কম্পিউটার বা পর্যাপ্ত ডিজিটাল সরঞ্জাম নেই, সেখানকার পড়ুয়ারাও যাতে এই বিষয়টি শিখতে পারে, তা মাথায় রেখেই মডিউল তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। অর্থাৎ, এআই শিক্ষা যাতে শুধুমাত্র উন্নত প্রযুক্তির সুবিধা থাকা স্কুলগুলির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, সেই দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, শুধু বই পড়ে বিষয়টি বোঝার বদলে হাতেকলমে কাজ শেখার সুযোগ রাখার কথাও বলা হয়েছে। এর ফলে পড়ুয়ারা বাস্তব পরিস্থিতিতে এআই-এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা পেতে পারে।

নতুন পাঠ্যসূচিটি ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হচ্ছে বলে এনসিইআরটি সূত্রে খবর। স্কুলস্তরে প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং চিন্তাভাবনার দক্ষতা বাড়ানোর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তবে নতুন মডিউল কবে থেকে কার্যকর হবে, কোন কোন স্কুলে প্রথম পর্যায়ে পড়ানো হবে এবং মূল্যায়নের পদ্ধতি কী হবে—এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়। চূড়ান্ত পাঠ্যক্রম ও বাস্তবায়নের নির্দেশিকা প্রকাশিত হলে এই উদ্যোগের পূর্ণ রূপরেখা জানা যাবে।