NCP Sharad Pawar: ইন্ডিয়া ব্লকে থেকেও কেন্দ্রের প্রস্তাবে 'সবুজ সংকেত'? শরদের এনসিপিকে ঘিরে জল্পনা

NCP Sharad Pawar: সুপ্রিয়া সুলে জানান, কেন্দ্র যদি লিখিতভাবে প্রতিটি রাজ্যে লোকসভা ও বিধানসভার আসন ৫০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়, তাহলে তাঁদের দল সেই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তাঁর কথায়, '৫০ শতাংশ বৃদ্ধির শর্তটি লিখিতভাবে দিন, তারপর আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।'

Published on: Jul 15, 2026, 13:29:36 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

NCP Sharad Pawar: লোকসভা ও বিধানসভা কেন্দ্রের সীমানা পুনর্নির্ধারণ বা ডিলিমিটেশন বিলকে ঘিরে ফের সরগরম জাতীয় রাজনীতি। শরদ পওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি (এসপি) কি এই ইস্যুতে কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের প্রতি নরম মনোভাব নিচ্ছে? এমন জল্পনার মধ্যেই দলের সাংসদ তথা শরদ পওয়ারের কন্যা সুপ্রিয়া সুলের মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এনসিপি (এসপি) এখনও ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গেই রয়েছে এবং এনডিএ-তে যোগ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

সুপ্রিয়া সুলে জানান, কেন্দ্র যদি লিখিতভাবে প্রতিটি রাজ্যে লোকসভা ও বিধানসভার আসন ৫০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়, তাহলে তাঁদের দল সেই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। (PTI)
সুপ্রিয়া সুলে জানান, কেন্দ্র যদি লিখিতভাবে প্রতিটি রাজ্যে লোকসভা ও বিধানসভার আসন ৫০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়, তাহলে তাঁদের দল সেই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। (PTI)

বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে সুপ্রিয়া সুলে জানান, কেন্দ্র যদি লিখিতভাবে প্রতিটি রাজ্যে লোকসভা ও বিধানসভার আসন ৫০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়, তাহলে তাঁদের দল সেই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তাঁর কথায়, '৫০ শতাংশ বৃদ্ধির শর্তটি লিখিতভাবে দিন, তারপর আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।'

সুলে জানান, সম্প্রতি সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু একটি সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। ওই বৈঠকে ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে আলোচনা হয়। সুপ্রিয়ার দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিটি রাজ্যে ৫০ শতাংশ আসন বৃদ্ধির একটি প্রস্তাব বিবেচনা করছে।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এখনও পর্যন্ত বিলের খসড়া তাঁদের হাতে আসেনি। তাই বিলের প্রকৃত বিষয়বস্তু না দেখে কোনও চূড়ান্ত মতামত দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর বক্তব্য, 'বিল আমাদের হাতে এলে আমরা তা খুঁটিয়ে দেখব, তারপর দলের অবস্থান জানাব। মহিলাদের সংরক্ষণ বিল যেমন সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়েছিল, তেমনভাবেই এই বিল নিয়েও আমরা দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেব।'

সুপ্রিয়া সুলে আরও বলেন, শুধুমাত্র জনসংখ্যার ভিত্তিতে ডিলিমিটেশন করা হলে দেশের দক্ষিণের রাজ্যগুলির প্রতি অবিচার হতে পারে। কারণ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল হওয়া রাজ্যগুলি লোকসভায় প্রতিনিধিত্ব হারাতে পারে। সেই কারণেই প্রতিটি রাজ্যে নির্দিষ্ট হারে আসন বৃদ্ধির প্রস্তাবকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত বলে মত তাঁর।

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছিল, ডিলিমিটেশন বিলের সমর্থনের বিনিময়ে এনসিপি (এসপি) হয়তো এনডিএ-র কাছাকাছি যাচ্ছে। কিন্তু সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন সুপ্রিয়া সুলে। তিনি বলেন, 'আমাদের দলকে নিয়ে নানা গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এগুলির অধিকাংশই সূত্রভিত্তিক খবর। আমরা কোথাও যাচ্ছি না। আমরা ইন্ডিয়া জোটের অংশ ছিলাম, আছি এবং থাকব।'

এদিকে একই দিনে কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরমও দাবি করেন, ডিলিমিটেশন বিল পাশ করাতে বিজেপি এনসিপি (এসপি) এবং ডিএমকের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছে। সামাজিক মাধ্যমে তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙনের পর বিজেপি এখন আঞ্চলিক দলগুলির সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টা করছে, যাতে সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে পাশ করানো যায়। তিনি এনসিপি (এসপি) এবং ডিএমকেকে এই বিলের সমর্থন না করার আহ্বানও জানান।

প্রসঙ্গত, গত অধিবেশনে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় পাশ হয়নি। যদিও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক সমীকরণ বদলেছে এবং এনডিএর সাংসদ সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। তবুও সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করানোর জন্য এখনও প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের হাতে নেই। ফলে আঞ্চলিক দলগুলির সমর্থন এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই আবহেই সুপ্রিয়া সুলের মন্তব্য জাতীয় রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More