কিশোরীর যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত ট্রাম্প! ‘এপস্টাইন ফাইলস’-র উধাও বিস্ফোরক নথি প্রকাশ্যে

মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, এই নথিগুলো পূর্বে কংগ্রেসের নির্দেশিত ফাইল প্রকাশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

Published on: Mar 6, 2026, 21:46:10 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত ‘এপস্টাইন ফাইলস’ ঘিরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে অস্বস্তি ও রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন বিচার বিভাগ এপস্টাইন-সংক্রান্ত অতিরিক্ত এফবিআই নথি প্রকাশ করেছে। নথিগুলোতে একজন মহিলার সাক্ষাৎকারের বিবরণ রয়েছে। ওই মহিলা দাবি করেছেন, যখন তিনি কিশোরী ছিলেন, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন। আর ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেয় কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টাইন।

‘এপস্টাইন ফাইলস’-র উধাও বিস্ফোরক নথি প্রকাশ্যে
‘এপস্টাইন ফাইলস’-র উধাও বিস্ফোরক নথি প্রকাশ্যে

মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, এই নথিগুলো পূর্বে কংগ্রেসের নির্দেশিত ফাইল প্রকাশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। কারণ, ভুলবশত এগুলো 'ডুপ্লিকেটিভ' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ডেমোক্র্যাটরা বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের জেফ্রি এপস্টাইন সংক্রান্ত ফাইল ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। ২০১৯ সালে এফবিআই যে একাধিক সাক্ষাৎকার নিয়েছিল, নতুন প্রকাশিত নথিগুলোতে তা বর্ণনা করা হয়েছে। সাক্ষাৎকারে ওই মহিলা অভিযোগ করেছেন, ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সের মধ্যে তিনি এপস্টাইন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বারা নির্যাতিত হয়েছেন। সাক্ষাৎকারে তিন বলেন, এপস্টাইন তাঁকে 'নিউ ইয়র্ক বা নিউ জার্সি' নিয়ে গিয়েছিলেন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, যখন ট্রাম্প জোরপূর্বক মৌখিক যৌন নির্যাতন (ওরাল সেক্স) করতে চেয়েছিলেন, তখন তিনি তাঁকে কামড়ে দিয়েছেন।

ওই মহিলা আরও জানিয়েছেন, বছরের পর বছর ধরে তিনি ও তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা হুমকি স্বরূপ ফোন পেয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এসব হুমকি এপস্টাইনের সঙ্গে সম্পর্কিত। এফবিআই রেকর্ড অনুযায়ী, ২০১৯ সালে এজেন্টরা তাঁর সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে। অক্টোবর ২০১৯ সালে, ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডেন্ট হওয়ার সময় তাঁর শেষ সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। সেই সাক্ষাৎকারে এজেন্টরা জানতে চেয়েছিলেন, তিনি ট্রাম্প সম্পর্কিত আরও তথ্য দিতে ইচ্ছুক কিনা। প্রতিক্রিয়ায় ওই মহিলা বলেছিলেন, 'এই বয়সে তথ্য দেওয়ার কী দরকার, যখন এর ওপর কিছু করা সম্ভব নয়।' অন্যদিকে, মার্কিন প্রকাশনা পলিটিকো জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট ওই মহিলার অভিযোগকে 'সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, কোন বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ ছাড়া' বলে অভিহিত করেছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এপস্টাইনের অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যায় অস্বীকার করেছেন।