Naresh Pal Gangwar: কে এই নরেশ পাল গাঙ্গোওয়ার? সিজেপি-র আন্দোলনের মধ্যেই উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব নিয়োগ
Naresh Pal Gangwar: নতুন উচ্চশিক্ষা সচিব নরেশ পাল গাঙ্গোওয়ার ১৯৯৪ সালের রাজস্থান ক্যাডারের একজন অভিজ্ঞ আইএএস অফিসার।
Naresh Pal Gangwar: দেশজুড়ে নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির প্রতিবাদে দিল্লির রাজপথে যখন আন্দোলন তুঙ্গে, ঠিক তখনই কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চশিক্ষা বিভাগে ঘটে গেল বড় ধরনের রদবদল। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারের 'অ্যাপয়েন্টমেন্টস কমিটি অব দ্য কেবিনেট' (এসিসি)-এর নির্দেশে দেশের নতুন উচ্চশিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলো সিনিয়র আইএএস কর্মকর্তা নরেশ পাল গাঙ্গোওয়ারকে।

আমলাতান্ত্রিক রদবদলের অংশ হিসেবে নরেশ পাল গাঙ্গোওয়ারকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি স্থলাভিষিক্ত হলেন ১৯৯২ ব্যাচের আইএএস অফিসার তথা বিদায়ী সচিব বিনীত জোশীর পদে, যাঁকে পঞ্চায়েত রাজ মন্ত্রকের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
কে এই নরেশ পাল গাঙ্গোওয়ার?
নতুন উচ্চশিক্ষা সচিব নরেশ পাল গাঙ্গোওয়ার ১৯৯৪ সালের রাজস্থান ক্যাডারের একজন অভিজ্ঞ আইএএস অফিসার। এই গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের পশুপালন ও ডেইরি বিভাগের সচিব পদে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই তাঁকে শিক্ষা মন্ত্রকের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে নিয়ে আসা হলো। শিক্ষাগতভাবে একজন প্রকৌশলী নরেশ পাল গাঙ্গোওয়ার আইআইটি রুরকি থেকে ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশনে বি.টেক, আইআইটি দিল্লি থেকে কমিউনিকেশনে এম.টেক এবং রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর আগে নরেশ পাল গাঙ্গোওয়ার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সেই সময় দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বিপজ্জনক পদার্থ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান ছিলেন। তাঁর কর্মজীবনে নরেশ পাল গাঙ্গোওয়ার রাজস্থান সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি রাজস্থান সরকারের মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সিজেপি-র আন্দোলন
গত জুন মাস থেকে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ক্রমে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী রা এই আন্দোলনে সংহতি জানানোয় লেগেছে রাজনীতির রঙও। এদিকে, টানা ২৬ দিনের অনশন ভেঙেছেন সোনম ওয়াংচুক। গুরুগ্রামের মেদন্ত হাসপাতালে তিনি অনশন প্রত্যাহার করেন। সেই সময় হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং। অনশন ভাঙার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় সোনম ওয়াংচুক সকলের উদ্দেশে আবেদন জানান, 'কোথাও কোনও ভাবে যাতে হিংসা না ছড়ায়, সেই বিষয়ে সকলে যেন সতর্ক থাকেন।' গত ২৮ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের আন্দোলনে যোগ দিয়ে অনশন শুরু করেছিলেন ওয়াংচুক। দীর্ঘ অনশনের জেরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাঁকে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে তাঁকে গুরুগ্রামের মেদন্ত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, সেখানেই বৃহস্পতিবার তিনি অনশন প্রত্যাহার করেন। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই প্রশ্নফাঁসের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
E-Paper

