Ram Mandir donation case: রাম মন্দিরের দানবাক্সে তছরুপ নয়া মোড়! অভিযুক্তদের হেফাজত চাইবে UP পুলিশ, অর্থের উৎস...

Ram Mandir donation case: এই মামলায় এখনও পর্যন্ত আট জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চম্পত রায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রামাশঙ্কর যাদব ওরফে তিন্নু যাদব, অনুকল্প মিশ্র, অবিনাশ শুক্ল, করুণেশ পাণ্ডে, লবকুশ মিশ্র, রামাশঙ্কর মিশ্র এবং সুভাষ শ্রীবাস্তব।

Published on: Jul 5, 2026, 21:19:48 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Ram Mandir donation case: রাম মন্দিরের অনুদান তহবিলের কথিত চুরির ঘটনায় এফআইআর দায়ের এবং ৮ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতারের পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক শোরগোল। এই আবহে অযোধ্যার রাম মন্দিরে দান সংক্রান্ত জালিয়াতির ঘটনায় ধৃত অভিযুক্ত লবকুশ মিশ্র এবং অনুকল্প মিশ্রকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে চলেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। তদন্তকারীরা এই কথিত চুরির নেপথ্য কৌশল এবং এই অর্থ কোনও সম্পত্তি ক্রয়ে ব্যবহার করা হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে চাইছেন বলে শনিবার তদন্তের সঙ্গে যুক্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

রাম মন্দিরের দানবাক্সে তছরুপ নয়া মোড়!
রাম মন্দিরের দানবাক্সে তছরুপ নয়া মোড়!

কর্মকর্তারা জানান, পুলিশ অতিরিক্ত জেলা জজ (দুর্নীতি দমন) রজত বর্মার কাছে দুই অভিযুক্তের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানাবে। গত সপ্তাহে, একদিনের পুলিশ হেফাজত পাওয়ার পর অপর এক অভিযুক্ত অবিনাশ শুক্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল রাজ্য পুলিশ।কর্মকর্তারা আরও বলেন, শুক্রবার অবিনাশ শুক্লাকে অযোধ্যার বেশ কয়েকটি স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে একটি হোটেলও রয়েছে যেখানে অভিযুক্তদের মধ্যে টাকা ভাগাভাগি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। অবিনাশ শুক্লাকে তাঁর পৈতৃক বাড়ি প্রতাপগড়েও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেখানে তাঁর চিহ্নিত করা স্থানগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়।

এই মামলায় এখনও পর্যন্ত আট জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চম্পত রায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রামাশঙ্কর যাদব ওরফে তিন্নু যাদব, অনুকল্প মিশ্র, অবিনাশ শুক্ল, করুণেশ পাণ্ডে, লবকুশ মিশ্র, রামাশঙ্কর মিশ্র এবং সুভাষ শ্রীবাস্তব। অনুকল্প মিশ্র এবং লবকুশ মিশ্র পরস্পরের আত্মীয়, এবং তাঁরা ট্রাস্টের সদস্য অনিল মিশ্রেরও আত্মীয়, যিনি গত সপ্তাহে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের সঙ্গে পদত্যাগ করেছেন। চম্পত রাইয়ের সহযোগী রাম শঙ্কর যাদব এবং মনীশ যাদবও পরস্পরের আত্মীয়। গত সপ্তাহে, পুলিশ ৭৯,৮৫,৪৯৩ টাকা শৌচালয়, খড়ের গাদা এবং ঘুঁটের ভেতর থেকে টাকা উদ্ধার করেছে।

অযোধ্যায় শুক্লার ভাড়া বাড়িতে এর আগের তল্লাশিতে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা নগদ, ১,১০০ মার্কিন ডলার, সোনা ও রুপোর অলঙ্কার এবং 'রাম রাজ্য কোষ' লেখা একটি অনুদান বাক্স উদ্ধার করা হয়, যা এই তদন্তের গতিকে অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। গত সপ্তাহে অভিযানের সময় পুলিশ অনুকল্পের কাছ থেকে ১৬.৮২ লক্ষ টাকা এবং লবকুশের কাছ থেকে ১৪.২৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্লা লুকিয়ে রাখা নগদ এবং মূল্যবান জিনিসপত্র সম্পর্কে জানিয়েছে, যার ভিত্তিতে তদন্তকারীরা উদ্ধার অভিযান চালান। কর্মকর্তারা বলছেন, শুক্লার বয়ানের সঙ্গে এখন বাকি অভিযুক্তদের, বিশেষ করে লবকুশ ও অনুকল্পকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। তদন্তকারীদের সন্দেহ, ভক্তদের অনুদানের টাকা সরানো, লুকিয়ে রাখা এবং তা কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে-সে বিষয়ে ওই দু'জনের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। তাদের অ্যাকাউন্ট বা বয়ানে মিল আছে নাকি গরমিল রয়েছে, তা নিশ্চিত করতে তদন্তকারীরা ওই দু'জনকে নথিপত্র সংক্রান্ত প্রমাণ, ডিজিটাল রেকর্ড এবং শুক্লার দেওয়া তথ্যের মুখোমুখি করতে পারেন। এছাড়া আত্মসাৎ করা অর্থ কীভাবে বণ্টন করা হয়েছিল, প্রতিটি অভিযুক্তের ভূমিকা কী ছিল এবং এই ষড়যন্ত্রে সঙ্গে কোনও ব্যক্তি জড়িত ছিল কিনা-সে বিষয়েও পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।