US Sanction Waiver on Russian Oil: রাশিয়ার তেলে পিছলে গিয়ে ডিগবাজি খেল আমেরিকা, 'করব না' বলেও 'করে দিল'!
US Sanction Waiver on Russian Oil: মার্কিন বাণিজ্য সচিব স্কট বেসেন্ট দাবি করেছিলেন, রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞায় ছাড়ের মেয়াদ আর বাড়াবে না আমেরিকা। তবে সেই দাবি করেও এবার ডিগবাজি খেল আমেরিকা। রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞায় ছাড়ের মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
US Sanction Waiver on Russian Oil: ইরান যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞায় একমাসের ছাড় দিয়েছিল আমেরিকা। সেই ছাড়র মেয়াদ শেষ হয় গত ১১ এপ্রিল। এই আবহে মার্কিন বাণিজ্য সচিব স্কট বেসেন্ট দাবি করেছিলেন, রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞায় ছাড়ের মেয়াদ আর বাড়াবে না আমেরিকা। তবে সেই দাবি করেও এবার ডিগবাজি খেল আমেরিকা। রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞায় ছাড়ের মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্প প্রশাসন ১৭ এপ্রিল মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে একটি নতুন লাইসেন্স জারি করেছে। এর অধীনে, দেশগুলি এখন ১৬ মে পর্যন্ত সমুদ্রে বোঝাই রাশিয়ান তেল কিনতে পারবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতসহ অনেক আমদানিকারক দেশই লাভবান হবে। বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ট্রাম্প প্রশাসন এই লাইসেন্স জারি করেছে। এদিকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বা নিষেধাজ্ঞায় ছাড়ের তোয়াক্কা অবশ্য করে না ভারত। সরকার বরাবর বলে এসেছে, ভারত নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী যেখান থেকে সস্তায় তেল পাবে, সেখান থেকেই কিনবে। ১১ এপ্রিল মার্কিন 'ছাড়' শেষ হয়ে গেলেও ভারত রাশিয়ার তেল কেনা চালিয়ে যাবে বলেই জানানো হয়েছিল রিপোর্টে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি সূত্রকে উদ্ধৃত করে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিল, তখনও এই ভারত রুশ তেলা কেনা বন্ধ করেনি। পরবর্তী সময় রাশিয়ার তেল কেনার হার কমলেও এর অন্যান্য কারণ ছিল। সেই সময় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৬৪ ডলারে নেমে এসেছিল। আর রাশিয়া থেকে ব্যারেল প্রতি ৬০ ডলার হারে তেল কেনা হচ্ছিল। তবে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির খরচ বেশি।
গত বছর, ভারত রাশিয়া থেকে প্রতিদিন গড়ে ২.৬ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল কিনছিল। এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে সেই গড় নেমে এসেছিল দৈনিক ১ মিলিয়ন ব্যারেলে। মার্চে তা বেড়ে হয় দৈনিক ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল। আর এপ্রিলে সেটা হয়েছে দৈনিক ২ মিলিয়ন ব্যারেল। অর্থাৎ, ভারত তার অপরিশোধিত তেল আমদানির ৩৮ শতাংশই রাশিয়া থেকে কিনছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


