Delhi Blast investigation latest: দিল্লি বিস্ফোরণে আরও এক চক্রান্তকারী ধৃত! ব্লাস্টে কি জুতো বোমা ব্যবহার? এল রিপোর্ট
দিল্লি বিস্ফোরণে উমরদের আরও এক সহযোগী চক্রী গ্রেফতার হয়েছে। এনআইএর জালে ধরা পড়েছে সে।
দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। একাধিক মিডিয়া রিপোর্টে বলা হচ্ছে, সন্দেহভাজন অভিযুক্ত উমর নবি সম্ভবত জুতো বোমা বা ‘Shoe Bomb’ ব্যবহার করে এই বিস্ফোরণ ঘটায়। সীমান্তপারের পাকিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-এ-মহম্মদের সঙ্গে সম্পর্কিত এই উমর নবির সঙ্গে দিল্লি বিস্ফোরণের যোগের তদন্ত চালাচ্ছে তদন্তকারী টিম। এদিকে, এরই মাঝে দিল্লি থেকে ধৃত উমরদের আরও এক চক্রান্তকারী সঙ্গী।

সূত্র উল্লেখ করে ইন্ডিয়া টুডে-র টিম জানিয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল থেকে নতুন কিছু পদার্থপ্রমাণ হিসাবে উঠেছে, এক ফরেন্সিক বিষয়ক প্রমাণও উঠে এসেছে। দিল্লি বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে ছিল আই২০ গাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া কিছু সামগ্রী। যে গাড়ি চালাচ্ছিল উমর। সেই গাড়িতে উমরের জুতোর দিকে নজর চলে যায় তদন্তকারীদের। সন্দেহ করা হচ্ছে, এমন সম্ভাবনাও রয়েছে যেখানে উমরের জুতোয় বোমা লাগানো থাকতে পারে। গাড়িটির চালকের আসনের নিচ থেকে জুতোর হদিশ মেলে। সেখানেই একট সামগ্রী পাওয়া যায়। এখনও পর্যন্ত যা তদন্ত তাতে মনে করা হচ্ছে, ওই উদ্ধার হওয়া প্রামাণ্য সামগ্রী আসলে ডিটোনেশনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। যে বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে তাকে মনে করা হচ্ছে TATP। এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল, একে ‘শয়তানের মা’ বলে উল্লেখ করা হয়। আর এই TATP উদ্ধার হয়েছে গাড়ির দুই চাকা ও উমরের জুতোর নিচ থেকে। মনে করা হচ্ছে, উমরের জুতোর নিচে এমন কোনও বস্তু ছিল, যা দিয়ে সে বোমা ফাটানোর চেষ্টা করেছে।
( India Bangladesh: ‘বাংলাদেশের জনগণের…’, হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণা পর্বের পর মুখ খুলল দিল্লি)
এদিকে, দিল্লি বিস্ফোরণে সন্দেহভাজন উমরদের আরও এক চক্রী, সহযোগী গ্রেফতার হয়েছে। এনআইএর জালে ধরা পড়েছে সে। জানা গিয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণে প্রযুক্তিগত কিছু সাহায্য চক্রান্তকারীদের যুগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে। ধৃতের নাম জসির বিলাল ওয়ানি। সে কাশ্মীরের বাসিন্দা।
এদিকে, ফরিদাবাদ থেকে গত ১০ নভেম্বর ২০২৫ বেলার দিকেই একের পর এক ডাক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ বিস্ফোরক উদ্ধার কাণ্ডে। সেখান থেকে ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। ঘটনায় ধৃতদের মধ্যে ছিল ড. শাহিন সইদ। বেশ কিছু রিপোর্টের দাবি, ড. শাহিন সইদের হাত দিয়ে ২০ লাখ টাকা উমরদের হাতে আসে বলে খবর।












