Marco Rubio on Pakistan Ties: ২ কারণে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে ‘বাধ্য’ আমেরিকা! ভারতে বসেই বললেন রুবিও
Marco Rubio on Pakistan Ties: জোড়া কারণে আমেরিকা ‘জঙ্গি’ দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে ‘বাধ্য’ বলে দাবি করলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। আর সেটাই বললেন ভারতে বসে। সাফাই দিলেন ইসলামাবাদ এবং ওয়াশিংটন সম্পর্ক নিয়ে।
Marco Rubio on Pakistan Ties: ‘জঙ্গি’ দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে কেন আমেরিকাকে সম্পর্ক রাখতেই হবে, তা নিয়ে সাফাই গাইলেন মার্কো রুবিও। ভারতের মাটিতে বসেই মার্কিন বিদেশ সচিব দাবি করলেন, অনেক সময় কোনও দেশের সঙ্গে মতভেদ থাকলেও বাধ্য হয়ে সম্পর্ক রাখতে হয়। আর পাকিস্তানের ক্ষেত্রে আমেরিকার সেরকমই বাধ্যবধকতা আছে বলে যুক্তি খাড়া করার চেষ্টা করেন মার্কিন বিদেশ সচিব। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, পরমাণু অস্ত্র এবং ভূরাজনৈতিক কারণে ইসলামাবাদের সঙ্গে ওয়াশিংটনকে সম্পর্ক বজায় রাখতে হয়।

পাকিস্তানের আর্থিক সহায়তা কমানোর দাবি তুলেছিলেন রুবিও
অথচ এই রুবি একটা সময় দাবি তুলেছিলেন যে জাপান, ইজরায়েলের মতো জোটসঙ্গী হিসেবে ভারতকে যেন বিবেচনা করে আমেরিকা। এমনকী ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদত জোগালে ইসলামাবাদের আর্থিক সহায়তায় কাটছাঁট করারও দাবি তুলেছিলেন তৎকালীন সেনেটর। কিন্তু সেই রুবিও এখন মার্কিন বিদেশ সচিব হওয়ার পরে সেই দাবির ধার দিয়েও যাননি।
'এমন অনেক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে হয়…'
আর তা নিয়ে রুবিওকে প্রশ্ন করা হয় ভারত সফরের সময়। সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ১৮-র সাক্ষাৎকারে নিজের স্বপক্ষে যুক্তি সাজিয়ে মার্কিন বিদেশ সচিব বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদে মদত জোগায়, এমন যে কারও বিরুদ্ধে আছি আমরা। আমার হাতে যে নয়া দায়িত্ব আছে, তাতে আমি আর সেনেটর নই। বিদেশ সচিব হিসেবে আমায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি সামলাতে হয়। আর তার ফলে এমন অনেক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে হয়, যার সঙ্গে আমাদের হয়তো মতপার্থক্য আছে।’
ভারত ও ইরানের উদাহরণ দিয়ে সাফাই মার্কিন বিদেশ সচিবের
সেই রেশ ধরে ইসলামাবাদ এবং ওয়াশিংটনের সম্পর্ককে ব্যাখ্যা করে মার্কিন বিদেশ সচিব দাবি করেন, ‘পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা হল যে ওদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক রাখতেই হবে। ওই দেশের হাতে পরমাণু অস্ত্র আছে। ভূরাজনৈতিক দিক থেকে এটা এমন একটা দেশ, যার সঙ্গে আমাদের আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। ঠিক যেমনভাবে ভারত সরকারকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে হয় এবং ইরানের নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে হয়।’
পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ‘এই সব জিনিসের মধ্যে ভারসাম্য বজায় করা কঠিন। কিন্তু আমাদের বিদেশনীতির অংশ হতে হবে ওদের (পাকিস্তান)। আমার মতে, একদিক থেকে এটা ইতিবাচক ব্যাপার। কারণ ওদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক থাকলে আমরা কথা চালিয়ে যেতে পারব, তাতে হয়তো আমাদেরই লাভ হবে। হয়তো আমাদের এমন একটা জায়গায় নিয়ে যাবে, যেখান থেকে আমরা সেইসব বিষয়ে নিরুৎসাহিত করতে সাহায্য করতে পারি, যেগুলি নিয়ে ভারত উদ্বিগ্ন।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


