Imran Khan issue: জেলবন্দি ইমরান নিয়ে সরব কামিন্সও, চোখে জল নিয়ে সতীর্থ মিয়াঁদাদ খুললেন মুখ!এদিকে, পাক টিম…
স্কাই স্পোর্টসে সম্প্রচারিত এই সাক্ষাৎকার ঝড় তুলতে থাকে! এরপর পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ইমরান খানের সতীর্থ জাভেদ মিয়াঁদাদ পাকিস্তানেরই এক পডকাস্টে ইমরান প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।
পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা তারকা প্রাক্তন ক্রিকেটার ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগে ক্রিকেট বিশ্ব। ইতিমধ্যেই ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার, সুনীল গাভস্কার, কপিল দেব সহ বিশ্বের একাধিক দলের ক্রিকেট অধিনায়করা সরব হয়ে ইমরান ইস্যুতে এক চিঠি পাঠিয়েছেন পাকিস্তান সরকারকে। সেই চিঠির উদ্যোগ নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার গ্রেগ চ্যাপেল। সেই উদ্যোগে এবার শামিল হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুলেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও। এদিকে, পাকিস্তানে ইমরানের এককালের সতীর্থ প্রাক্তন ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদও চোখে জল নিয়ে সরব হয়েছেন!
সদ্য লর্ডসের রাইটার্স রুমে ইমরান খানের পুত্র কাশেম ও সুলেমান, ইমরানের খানের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খোলেন এক সাক্ষারকারে। কাশেম বলেন, ‘শেষবার যখন তিনি আমাদের পিসিদের বা অন্য কারও সাথে কথা বলতে পেরেছিলেন, তখন তিনি জানিয়েছিলেন যে সাম্প্রতিক সময়ে সেখানকার পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে খারাপ হয়েছে। তিনি কারাগারের ভেতরে নিহত বা মৃত্যুবরণকারী অন্যান্য রাজনৈতিক বন্দিদের পরিস্থিতির সাথে বর্তমান অবস্থার তুলনা করছিলেন। পরিস্থিতি এখন আগের চেয়েও ভয়াবহ; তাঁকে দিনের ২৩ ঘণ্টারও বেশি সময় একটি কক্ষে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হচ্ছে।’ বর্তমান পাকিস্তান সরকারকে দুষে কাশেম বলেন, ‘তারা আসলে কী করছে তা খুব একটা স্পষ্ট নয়, তবে তারা যে প্রকাশ্যেই তাকে সেখানে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে, তা বোঝা যাচ্ছে। তারা তাকে যথাসম্ভব দীর্ঘ সময় আটকে রেখে তার কণ্ঠ স্তব্ধ করে দিতে চায়।’
স্কাই স্পোর্টসে সম্প্রচারিত এই সাক্ষাৎকার ঝড় তুলতে থাকে! এরপর পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ইমরান খানের সতীর্থ জাভেদ মিয়াঁদাদ পাকিস্তানেরই এক পডকাস্টে ইমরান প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। মিয়াঁদাদ ইমরান সম্পর্কে বলেন, ‘সে একজন সৎ মানুষ। সে দুর্নীতিতে জড়িত নয়, নইলে সে অনেক কিছুই করত। তাকে ছেড়ে দিলে কী হবে? সে কি কাউকে খেয়ে ফেলবে বা ক্ষতি করবে? সেও তো কারো ছেলে। আমি সবসময় ভাবি সে কী করছে।’
এদিকে, টেস্ট চলাকালীন ইমরান পুত্রদের সাক্ষাৎকার নিয়ে ক্ষুব্ধ পিসিবির তরফে লাঞ্চের পর টিম খেলতে না নামানোর হুমকি আসে বলে একাধিক রিপোর্ট দাবি করে। সেই প্রসঙ্গে, পাকিস্তান কোচ সরফরাজ খান বলেন, ‘আমরা সাক্ষাৎকার নিয়ে কিছু জানিনা। সব ঠিক আছে। আমরা তো লাঞ্চ করছিলাম।’ তাঁর বার্তা, তিনি খেলায় ফোকাস করছেন।
উল্লেখ্য, একদিনের ক্রিকেটে পাকিস্তান এযাবৎকালে মাত্র একবারই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আর সেই কাপ পাকিস্তানকে এনে দিয়েছিল ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান টিম। পাকিস্তানের বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক ইমরান খান বর্তমানে সেদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলে রয়েছেন। ইমরান পন্থীদের অভিযোগ, জেলে এক-কুঠুরির সেল-এ ইমরানকে রাখা হয়েছে।
এক পোস্টে প্যাট কামিন্স লেখেন,‘ গ্রেগ চ্যাপেল এবং অন্য প্রাক্তন আন্তর্জাতিক অধিনায়কদের বক্তব্যকে আমি সমর্থন করছি। আদালতের নির্দেশে যে চিকিৎসাজনিত পরীক্ষা হওয়ার কথা, তা যেন ঠিক মতো হতে দেওয়া হয়। তাঁর পরিবারের লোকজনকেও যেন দেখা করতে দেওয়া হয়। ইমরান খান যে সম্মান পাওয়ার যোগ্য, তাঁর সঙ্গে সে ভাবেই আচরণ করা উচিত।’
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


