OpenAI Update: ওপেনএআই সংস্থায় ট্রাম্প সরকারের অংশীদারিত্বের প্রস্তাব স্যাম অল্টম্যানের, প্রযুক্তি দুনিয়ায় নতুন বিতর্ক

ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অল্টম্যান এবং ওপেনএআই-এর অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিকরা একটি সরকার-সমর্থিত বিনিয়োগ তহবিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই তহবিলের মাধ্যমে ওপেনএআই ছাড়াও অ্যানথ্রপিক, গুগল এবং মেটার মতো শীর্ষ এআই সংস্থাগুলিতে ৫ শতাংশ করে অংশীদারিত্ব নেওয়া যেতে পারে।

Published on: Jul 2, 2026, 13:33:38 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) শিল্পের দ্রুত প্রসারের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে প্রযুক্তি সংস্থাগুলির সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে বড় প্রস্তাব দিলেন ওপেনএআই-এর প্রতিষ্ঠাতা স্যাম অল্টম্যান। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, ওপেনএআই-সহ দেশের শীর্ষ এআই সংস্থাগুলিতে মার্কিন সরকারের ৫ শতাংশ ইক্যুইটি বা মালিকানার অংশ থাকা উচিত। এর মাধ্যমে এআই শিল্পের বিপুল আর্থিক লাভের একটি অংশ সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছনোর পথ তৈরি হতে পারে বলে তাঁর মত।

ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অল্টম্যান এবং ওপেনএআই-এর অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিকরা একটি সরকার-সমর্থিত বিনিয়োগ তহবিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। (REUTERS)
ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অল্টম্যান এবং ওপেনএআই-এর অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিকরা একটি সরকার-সমর্থিত বিনিয়োগ তহবিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। (REUTERS)

ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অল্টম্যান এবং ওপেনএআই-এর অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিকরা একটি সরকার-সমর্থিত বিনিয়োগ তহবিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই তহবিলের মাধ্যমে ওপেনএআই ছাড়াও অ্যানথ্রপিক, গুগল এবং মেটার মতো শীর্ষ এআই সংস্থাগুলিতে ৫ শতাংশ করে অংশীদারিত্ব নেওয়া যেতে পারে। যদিও এই সংস্থাগুলি এমন প্রস্তাবে রাজি হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

অল্টম্যানের মতে, এআই প্রযুক্তির বিস্ফোরক উন্নয়নের ফলে যে বিপুল সম্পদ তৈরি হবে, তার সুফল শুধুমাত্র বেসরকারি সংস্থার হাতে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের নাগরিকদের কাছেও পৌঁছানো উচিত। সেই কারণেই সরকারের মাধ্যমে জনগণের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করার এই উদ্যোগ। জানা গিয়েছে, এই প্রস্তাব নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের সঙ্গে আলোচনা করেছেন অল্টম্যান। পাশাপাশি ডেমোক্র্যাট নেতা ও সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের সঙ্গেও এ বিষয়ে তাঁর বৈঠক হয়েছে।

এর আগেও ওপেনএআই একটি ‘পাবলিক ওয়েলথ ফান্ড’ তৈরির ধারণা সামনে এনেছিল। সেই তহবিল এআই সংস্থাগুলিতে বিনিয়োগ করে অর্জিত মুনাফা সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে বণ্টনের পরিকল্পনা করেছিল। অন্যদিকে, অ্যানথ্রপিক ‘ডিজিটাল ডিভিডেন্ড’-এর ধারণা সামনে আনে, যেখানে এআই শিল্পের ওপর কর বসিয়ে সেই অর্থ মার্কিন নাগরিকদের দেওয়ার প্রস্তাব ছিল। এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি এআই সংস্থাগুলির ওপর নজরদারি আরও বাড়িয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও জানিয়েছেন, এআই শিল্পের ভবিষ্যৎ লাভে সাধারণ মানুষের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করার সম্ভাব্য পথ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, অ্যানথ্রপিককে ঘিরেও সম্প্রতি বিতর্ক তৈরি হয়। গত ১২ জুন জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন সংস্থাটিকে বিদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য তাদের এআই মডেলে প্রবেশাধিকার সীমিত করার নির্দেশ দেয়। সংস্থাটি তাৎক্ষণিকভাবে বিদেশি ব্যবহারকারীদের আলাদা করতে না পারায় সাময়িকভাবে সবার জন্য পরিষেবা বন্ধ করে দেয়। পরে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ দূর হওয়ায় প্রশাসন সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় এবং ফেবল ৫ ও মিথোস ৫ মডেল আবার চালু হয়।

সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, অ্যামাজনের গবেষকরা ফেবল ৫-এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে সফটওয়্যারের দুর্বলতা শনাক্ত করার উপায় বের করেছিলেন। সেই ঘটনার পরই কড়া পদক্ষেপ নেয় মার্কিন প্রশাসন। এদিকে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে অ্যানথ্রপিকের সম্পর্ক আগেও তিক্ত হয়েছিল। গণ-নজরদারি এবং স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র তৈরিতে নিজেদের প্রযুক্তি ব্যবহার করতে অস্বীকার করায় পেন্টাগন সংস্থাটির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছিল। এই আবহেই ওপেনএআই জানিয়েছে, মার্কিন সরকারের অনুরোধে তাদের নতুন GPT-5.6 মডেলের পূর্ণাঙ্গ উন্মুক্ত প্রকাশ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে কেবলমাত্র নির্বাচিত ও যাচাইকৃত অংশীদারদের জন্যই সেই মডেলের ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More