Pahalgam attack details: দুপুরে গাছের তলায় মধ্যাহ্নভোজ, তারপর নিরীহদের খুন! পহেলগাঁও কাণ্ডে হাড়হিম তথ্য
Pahalgam Terrorists: ঘটনার ঠিক আগের দিন, পরভেজ আহমেদ, তাঁর পরিবারের সঙ্গে নিজেদের কুড়ে ঘরে ছিলেন বিকেল ৫ টা নাগাদ। সেই সময়ই তিনজন জঙ্গি অস্ত্র সহ সেখানে আসে।
এক বছর কেটে গিয়েছে ১ বছর। পহেলগাঁওতে সন্ত্রাসীদের নারকীয়তার ক্ষত আজও দগদগে গোটা দেশের। পাকিস্তানি সন্ত্রাসীদের সেই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের দিনের একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য় এবার উঠে আসতে শুরু করেছে।

‘এনডিটিভি’র এক রিপোর্ট বলছে, ২২ এপ্রিল ২০২৫ সালে পহেলগাঁওতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দিনে, দুপুরের দিকে বৈসরণের উপত্যকায় এক গাছের তলায় বসে দুপুরের সমস্ত খাওয়াদাওয়া সেরে ফেলে তিন জঙ্গি। আর খাওয়া দাওয়া সেরেই নিরীহদের খুনের নৃশংসতায় তারা মেতে ওঠে। এই ঘটনার আগেও তাদের গতিবিধি সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, ঘটনার ঠিক আগের দিন, পরভেজ আহমেদ, তাঁর পরিবারের সঙ্গে নিজেদের কুড়ে ঘরে ছিলেন বিকেল ৫ টা নাগাদ। সেই সময়ই তিনজন জঙ্গি অস্ত্র সহ সেখানে আসে। পরভেজদের থেকে জল চায়। তারা তা দেয়। সশস্ত্র ওই জঙ্গিরা তখনও কি করতে চলেছে, তা ঠাওর করা যায়নি। তারা পরভেজকে জানিয়েছিল, তারা খুব ক্লান্ত, অনেক দূর থেকে এসেছে। পরভেজ তাঁদের জল দেন। তা পেয়ে খুশি হয়ে পরভেজের সুখ্যাতিও করতে থাকে জঙ্গিরা। পরভেজ বলছেন,'তারা পাঞ্জাবি টানে উর্দুতে কথা বলছিল এবং তাদের দেখে কাশ্মীরি বলে মনে হচ্ছিল না। আমি বুঝতে পারলাম যে তারা মুজাহিদ। তারা আমাকে তাদের ব্যাগ ও থলেগুলো লুকিয়ে রাখতে বলল। তারা সেখানেই থাকাকালীন আমি ধোকে (কুড়ে ঘরে) শুয়ে আমার কম্বলের নিচে সেগুলো লুকিয়ে রাখলাম। আমি আমার স্ত্রী তাহিরাকে আমাদের সবার জন্য চা তৈরি করতে বললাম।' এরপর পরভেজ বলেন, পরে তারা খাবার খেয়ে রুটি প্যাক করে দিতে বলে রাত ১০টার মধ্যে চলে যায়।
প্রসঙ্গত, তিনজন সন্ত্রাসীকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে পারভেজ ও তার কাকা বশির আহমেদ জোথার ২২শে জুন, ২০২৫ গ্রেফতার হন। পরের দিন দিনের বেলাতেই ওই জঙ্গিদের গাছের নিচে বসে মধ্যাহ্নভোজ সারতে দেখা যায়। এরপর পহেলগাঁওয়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড!
তদন্তকারীরা ১,১০০ জনেরও বেশি লোককে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর যে অভিযোগপত্রটি দাখিল করেছেন, তা অনুযায়ী, খাওয়ার পর ২ জঙ্গি এলাকা রেইকি করে। তারপর তিনজনে মিলে বসে আলোচনা করে। এরপর বেড়া টপকে তারা পার্কে প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে একজনের মাথায় ছিল গো প্রো ক্যামেরা। দুইজন সন্ত্রাসী শৌচাগারগুলোর পাশ দিয়ে সোজা পার্কের প্রধান প্রবেশদ্বারের দিকে এগিয়ে যায়, আর তৃতীয়জন জিপলাইনের শেষ প্রান্তের দিকে যায়। এরপর এমফোর কার্বাইন থেকে দুপুর ২.২৩ মিনিটে প্রথম গুলি যায়। কয়েক সেকেন্ড পরেই, অন্য দুই সন্ত্রাসী ধাবা ও ঢালু এলাকার কাছে নিজেদের অবস্থান থেকে একে-৪৭ রাইফেল থেকে গুলি চালায়।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


