Pak HC Update: ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশনের বাইরে সরানো হল পার্কিং পোল, জবাবে দিল্লিতে পাক হাইকমিশনের বাইরে চলল বুলডোজার
দিল্লিতে পাকিস্তানের হাইকমিশনের বাইরে চলল বুলডোজার। সরিয়ে দেওয়া হল কয়েকটি অননুমোদিত কাঠামো ও দখলদারি। জানা গিয়েছে, এই কাঠামোগুলি পাক হাইকমিশনের ভিসা সেকশনের কাছে ছিল। সেগুলি নির্ধারিত কম্পাউন্ডের সীমানার বাইরে তৈরি হয়েছিল। তাই সেগুলিকে বেআইনি বলে চিহ্নিত করা হয়।
Pakistani High Commission Bulldozer: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক আগে থেকেই তলানিতে। এর মধ্যেই দিল্লিতে পাকিস্তানের হাইকমিশনের বাইরে চলল বুলডোজার। সরিয়ে দেওয়া হল কয়েকটি অননুমোদিত কাঠামো ও দখলদারি। জানা গিয়েছে, এই কাঠামোগুলি পাক হাইকমিশনের ভিসা সেকশনের কাছে ছিল। সেগুলি নির্ধারিত কম্পাউন্ডের সীমানার বাইরে তৈরি হয়েছিল। তাই সেগুলিকে বেআইনি বলে চিহ্নিত করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি অভিযান চালিয়ে সেগুলি সরিয়ে দেয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, কয়েক দিন আগেই ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশনের বাইরে থাকা কয়েকটি পার্কিং পোল সরিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তান। এর পরপরই ভারত এবার বুলডোজার চালাল পাক হাইকমিশনারের বাইরে।

দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে এমন পাল্টা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নতুন নয়। অতীতেও একে অপরের কূটনৈতিক মিশন নিয়ে নানা পদক্ষেপ করেছে ভারত ও পাকিস্তান। কখনও কূটনীতিকের সংখ্যা কমানো হয়েছে। কখনও যাতায়াত ও বিভিন্ন সুবিধার ওপর বিধিনিষেধ চাপানো হয়েছে। দিল্লির সাম্প্রতিক অভিযানের সরকারি কারণ অবশ্য অননুমোদিত নির্মাণ এবং দখলদারি। তবে অভিযানের সময় যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।
দুই দেশের সম্পর্ক খারাপ হওয়ার অন্যতম বড় কারণ সীমান্তপার সন্ত্রাসবাদ। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা হয়েছিল। সেই ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়। এরপর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও তলানিতে ঠেকে। এর পরেই ভারত শুরু করে অপারেশন সিঁদুর। পাকিস্তান এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা জঙ্গি ঘাঁটিকে নিশানা করে ভারতীয় বাহিনী। এর জেরে দুই দেশের মধ্যে গুরুতর সামরিক উত্তেজনা তৈরি হয়।
পরে সংঘর্ষবিরতি কার্যকর হয়। কিন্তু সম্পর্ক আর স্বাভাবিক হয়নি। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক কার্যত থমকে রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে যাতায়াতও সীমিত। ভিসা ব্যবস্থাতেও কঠোরতা বেড়েছে। এর পাশাপাশি সিন্ধু জল চুক্তি নিয়েও তৈরি হয়েছে বড় টানাপোড়েন। ভারত চুক্তিটি আপাতত স্থগিত রেখেছে। নয়াদিল্লির বক্তব্য, সীমান্তপার সন্ত্রাস বন্ধে পাকিস্তানকে কার্যকর এবং বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ করতে হবে।
তবে দুই দেশের মধ্যে সব যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়নি। অপারেশন সিঁদুরের সময় সামরিক স্তরে যোগাযোগ ছিল দুই দেশের। দাবি করা হয়েছে, এখনও ভারত ও পাকিস্তানের ডিজিএমওদের মধ্যে নিয়মিত ফোনে কথা হয়। এর মূল লক্ষ্য, সীমান্তে কোনও বড় ধরনের উত্তেজনা যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায়। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে পাক হাইকমিশনের বাইরে বুলডোজার চালানোর ঘটনা তাই শুধুমাত্র দখলদারি উচ্ছেদের প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়। ভারত-পাক সম্পর্কের চলতি তিক্ততার মধ্যেও এর আলাদা তাৎপর্য রয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


