Pakistan seeks US Billion Dollar help:যুদ্ধ-মধ্যস্থতায় হম্বিতম্বির পর USর কাছে হাত পাতছে দেউলিয়া পাকিস্তান! কত ডলার চাই?
পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মহম্মদ আওরঙ্গজেব বলেছেন যে, এই সপ্তাহে স্কট বেসেন্টের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশটির অর্থনীতির ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন।
কিছুদিন আগেই, পাকিস্তানকে দেখা গিয়েছে, ইরান বনাম আমেরিকা যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে। মধ্যস্থতাকারী হিসাবে পাকিস্তান ব্যাপক হম্বিতম্বি দেখালেও, ফের একবার ইরান বনাম আমেরিকা যুদ্ধ শুরু হয়েছে, উত্তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। এদিকে, এরই মাঝে আমেরিকার কাছে হাত পাততে শুরু করে দিয়েছে পাকিস্তান! অন্তত রয়টার্সের রিপোর্ট তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
রয়টার্সের রিপোর্ট অনুসারে, মার্কিন টেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্তের কাছে ইসলামাবাদের একটি আর্জি গিয়েছে। পাকিস্তান চাইছে, আমেরিকার সাথে, দ্বিপাক্ষিক বিনিময় স্থিতিশীলকরণ সহায়তা সুবিধার আওতায়, পাকিস্তানকে, আমেরিকা ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা দিক। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর ম্যাচুরিটির মেয়াদ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর। ইতিমধ্যেই আর্থিকভাব ধরাশায়ী হয়ে পড়েছে পাকিস্তান। তারই মধ্যে আইএমএফ-র থেকে দেউলিয়া পাকিস্তান ক্রমাগত ঋণ নিয়ে যাচ্ছে। সদ্য ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের মাঝে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নেমে পাকিস্তান তার কূটনৈতিক প্রোফাইল খানিকটা চাঙ্গা করার চেষ্টায় ছিল, আর তার হাত ধরেই এই আর্থিক সহায়তার আর্জির রাস্তা প্রশস্ত করার চেষ্টাও ইসলামাবাদ চালিয়ে যায়। যে পরিমাণ টাকা, আমেরিকার থেকে পাকিস্তান চেয়েছে, তা যদি তারা পেয়ে যায়, তাহলে রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কর্মসূচির আওতায় ইসলামাবাদ যখন কঠোরতর রাজস্ব ও মুদ্রানীতি গ্রহণ করছে, ঠিক সেই সময়েই এই পদক্ষেপ পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ শক্তিশালী করবে। এছাড়াও রুপির ওপর চাপ কমাবে এবং বহুপাক্ষিক অর্থায়নের ওপর দেশটির নির্ভরতা হ্রাস করবে।
পাকিস্তান বা আমেরিকা, কেউই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেনি। তবে, পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মহম্মদ আওরঙ্গজেব বলেছেন যে, এই সপ্তাহে স্কট বেসেন্টের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশটির অর্থনীতির ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন। এর আগে, আইএমএফ-এর ৩ বিলিয়ন ডলারের ‘স্ট্যান্ডবাই অ্যারেঞ্জমেন্ট’ বা জরুরি ঋণ সহায়তা নিশ্চিত করার পর ২০২৩ সালে সার্বভৌম ঋণখেলাপি হওয়ার পরিস্থিতি অল্পের জন্য এড়াতে পেরেছিল পাকিস্তান। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখনও আইএমএফ-এর অর্থ বাদে, দ্বিপাক্ষিক সহায়তা এবং চিন ও সৌদি আরব সহ বিভিন্ন অংশীদারের কাছ থেকে পাওয়া আর্থিক সহায়তার মেয়াদ নবায়নের (ফিন্যান্সিয়াল রোলওভার) ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল, ফলে বৈদেশিক অর্থায়নে বিলম্বের ক্ষেত্রে দেশটি ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


