Pakistan cricketer Irfan Khan: সিটবেল্ট না পরেই যাত্রা!ট্র্যাফিক নিয়ম ভেঙে ধরা পড়লেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার,তারপর যা হল...

Pakistan cricketer Irfan Khan: পাকিস্তান সুপার লিগে ইরফান খান হায়দরাবাদ কিংসম্যানের হয়ে খেলেছেন। তাঁর দল ফাইনালে পেশোয়ার জালমির কাছে হেরে যায়। ওই পুলিশ সদস্য ইরফানের কাছে তাঁর পাকিস্তান সুপার লিগের দল হায়দরাবাদ কিংসম্যানের পারফরম্যান্স সম্পর্কেও জানতে চান।

Published on: May 10, 2026, 12:02:23 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Pakistan cricketer Irfan Khan: পাকিস্তানের ব্যাটিং অলরাউন্ডার ইরফান খান সম্প্রতি ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ঘটনায় চর্চায় উঠে এসেছেন। আর সেই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গাড়ির সামনের আসনে বসে থাকা ইরফান সিটবেল্ট না পরেই যাত্রা করছিলেন। সেই সময়ে এক ট্রাফিক পুলিশ গাড়ির কাছে এসে তাঁকে সিটবেল্ট না পরার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন। একই সঙ্গে মজার ছলে তিনি প্রশ্ন করেন, নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য তাঁকে জরিমানা করা উচিত কিনা। পরে ওই ট্রাফিক পুলিশ বুঝতে পারেন যে গাড়িতে পাকিস্তান জাতীয় দলের এক ক্রিকেটার বসে রয়েছেন। সেটা বুঝে ওঠার পরই পরিস্থিতি হয়ে রসিকতাপূর্ণ।

ট্র্যাফিক নিয়ম ভেঙে ধরা পড়লেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার (সৌজন্যে টুইটার)
ট্র্যাফিক নিয়ম ভেঙে ধরা পড়লেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার (সৌজন্যে টুইটার)

পাকিস্তান সুপার লিগে ইরফান হায়দরাবাদ কিংসম্যানের হয়ে খেলেছেন। তাঁর দল ফাইনালে পেশোয়ার জালমির কাছে হেরে যায়। ওই পুলিশ সদস্য ইরফানের কাছে তাঁর পাকিস্তান সুপার লিগের দল হায়দরাবাদ কিংসম্যানের পারফরম্যান্স সম্পর্কেও জানতে চান। ইরফান খান এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানের হয়ে ৯টি ওয়ানডে ও ১৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। এদিকে, পিএসএলের ফাইনালে দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে অ্যারন হার্ডি পেশোয়ার জালমিকে ২০১৭ সালের পর প্রথম শিরোপা এনে দেন। পেশোয়ার জালমি ফাইনালে ৫ উইকেটে হারায় নবাগত হায়দরাবাদ কিংসমেনকে। লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদ ১৮ ওভারে ১২৯ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন সাইম আয়ুব। বল হাতে অ্যারন হার্ডি নেন ৪ উইকেট।

১৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে পেশোয়ার। দলীয় ৪০ রানেই ফিরে যান টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বাবর আজম, মহম্মদ হ্যারিস, কুশল মেন্ডিস ও মাইকেল ব্রেসওয়েল। তবে এরপর হার্ডি ৩৯ বলে অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন।তাঁকে দারুণ সঙ্গ দেন আবদুল সামাদ। দু'জনের ৮৫ রানের জুটিতে ১৫.২ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে পেশোয়ার। টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন বাবর আজম। দু'টি সেঞ্চুরি-সহ তিনি মোট ৫৮৮ রান করে ফকর জামানের এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড স্পর্শ করেন। ফাইনালে হায়দরাবাদ শুরুটা ভাল করলেও দ্রুত ছন্দ হারায়। অধিনায়ক মারনাস লাবুশেন ২০ রান করে আউট হন। পরে উসমান খান, ইরফান খান ও কুশল পেরেরা দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে দলটি। এছাড়া গ্লেন ম্যাক্সোয়েল শূন্য রানে আউট হন। বল হাতে পেশোয়ারের হয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখেন নাহিদ রানা ও সুফিয়ান মোকিম। প্রথম চার ম্যাচ হারলেও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছয় হায়দরাবাদ কিংসম্যান। প্লে-অফে তারা প্রাক্তন চ্যাম্পিয়ন মুলতান সুলতানস এবং ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে হারিয়ে চমক দেখায়।