Nabil Gabol on Dawood Ibrahim: দাউদের সঙ্গে সত্যিই দেখা হয়েছে কখনও? ‘ধুরন্ধর ২’র পর পাকিস্তানি নেতা গাবোল বলছেন..
দাউদ নিয়ে প্রশ্ন যেতেই কী বললেন পাকিস্তানের এই রাজনৈতিক নেতা?
কিছুদিন আগে মুক্তি পেয়েছে অদিত্য ধর পরিচালিত ছবি ‘ধুরন্ধর ২’। রণবীর সিং অভিনীত এই ছবি ইতিমধ্যেই ব্লকবাস্টারের লিস্টে! ফিল্মের গল্প ঘুরপাক খেয়েছে পাকিস্তানের করাচির লিয়ারি এলাকায়। যে এলাকায় এককালে দাপট চলত রহমান ডাকাত কিম্বা তাঁর তুতো ভাই উজয়েইর বালোচের। সেই এলাকাতেই এক রাজনীতিক হিসাবে ফিল্মে তুলে ধরা হয়েছে জামাল জামালি নামের এক চরিত্রকে। চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাকেশ বেদী। বহু মহলের দাবি, এই জামাল জামালির চরিত্রটি পাকিস্তানের রাজনীতির অন্যতম নেতা নাবিল গাবোলের চরিত্র থেকে নাকি অনুপ্রাণিত!

‘ধুরন্ধর ২’ রিলিজের পর থেকে গাবোল চর্চায়। এবার তাঁকে এক পডকাস্টে প্রশ্ন করা হয় দাউদকে নিয়ে। উল্লেখ্য, ‘ধুরন্ধর ২’ এ আলাদা করে জায়গা করে নিয়েছে দাউদ ইব্রাহিমের সদৃশ এক চরিত্র!
উল্লেখ্য, গ্যাংস্টারদের এলাকা দখল ঘিরে একটা সময় করাচির লিয়ারি এলাকা বেশ তপ্ত থাকত। ফিল্মে সেই এলাকা ঘিরে তুলে ধরা হয়েছে দাউদ ইব্রাহিমের সদৃশ চরিত্রটিও। যে চরিত্রকে পক্ক কেশ, শয্যাশায়ী হিসাবে ফিল্মে দেখানো হয়েছে। ফিল্মে এও দেখানো হয়েছে, করাচির ক্লিফটন এলাকায় ওই ব্যক্তি থাকেন। উল্লেখ্য, ‘ধুরন্ধর ১’ থেকেই বহু পাকিস্তানি চরিত্রের মুখে ‘বড়ে সাব‘র নাম শোনা যায়। সেই নামের সূত্র ধরেই এই শয্য়াশায়ী, পক্ককেশের চরিত্রটি ফিল্মে এসেছে।
এবার আসা যাক পডকাস্টের কথায়! ‘কিউঁ ঘন্টি বজি’ শীর্ষক এক পডকাস্টে সদ্য নাবিল গাবোলকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ‘আমাদের মুম্বইয়ের এক প্রতিবেশী করাচিতে রয়েছেন, ওঁকে বড়ে সাব বলা হয়, আপনি কি তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন?’এরপর আসে গাবোলের উত্তর। তিনি জানান, ‘আমি কখনওই দেখা করিনি। আমি জানিওনা উনি করাচিতে থাকেন। মিডিয়া আর ধুরন্ধর ফিল্মে দেখানো হয়েছে উনি করাচির ক্লিফটন এলাকায় থাকেন। আমার বাড়ি থেকে ওই এলাকা ২০০ মিটার দূরে। তবে আমি কখনও ওঁকে দেখিওনি বা ওঁর ব্যাপারে শুনিওনি।’
পাকিস্তানের এই রাজনৈতিক নেতা গাবোল এও বলেছেন, ‘ ধুরন্ধরে দেখানো হয়েছে উনি মৃত্যুশয্য়ায় রয়েছেন। আর ওঁকে জামিল ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরে উনি মারা যাবেন। তবে আমি জানিইনা উনি আছেন না নেই!’
দাউদ ও করাচি-
২০১৬ সালে ১২ মা নিউজ এইট্টিনের প্রকাশিত এক রিপোর্ট বলছে, পাকিস্তানের দক্ষিণ করাচির ক্লিফটন রোডে রয়েছে দাউদের বিলাসী বাংলো। এই এলাকায় তখন বেনজির ভুট্টোর পুত্র বিলাওয়াল, সিন্ধ প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুস্তাফা জাটোইদের বাড়িও ছিল। উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে মুম্বই বিস্ফোরণে ২৫৭ জনের মৃত্যুর নেপথ্যের কারণ হিসাবে দাউদ ইব্রাহিমের নাম উঠে আসে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


