Pak on Iran War: ইজরায়েলি প্রভাবের সরকার ইরানে এলে ‘কাল’ হবে পাকের? কোন সমীকরণ নিয়ে চিন্তায় পাকিস্তানি মন্ত্রী আসিফ
ইজরায়েল যদি ইরানে সরকার গঠন করতে ভূমিকা পালন করে, তাহলে তা যে ইরানের প্রতিবেশি পাকিস্তানের পক্ষে সুবিধার বার্তা নয়, সেই সমীকরণ আঁচ করছে ইসলামাবাদ!
ইরানে ক্রমাগত ইজরায়েলি, মার্কিনি হামলার জেরে বেশ উদ্বেগে রয়েছে পাকিস্তান। ইরানের প্রতিবেশি পাকিস্তানের মাথায় চিন্তা রয়েছে ইরানে এবার কোন সরকার আসে তা নিয়ে। কারণ, ইতিমধ্যেই ‘শাসনকাল’ পরিবর্তন নিয়ে ইজরায়েল ও আমেরিকার কণ্ঠে সুর শোনা গিয়েছে। এদিকে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্ররীর চিন্তা, যদি ইজরায়েলের প্রভাবে প্রভাবিত কোনও সরকার এই যুদ্ধের পর থেকে ইরানে শাসন করে, তাহলে পাকিস্তানের জন্য ভূরাজনৈতিক ক্ষেত্রে সমীকরণ পাল্টাবে!
পাকিস্তান বর্তমানে ডুরান্ড লাইন নিয়ে আফগানিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত। আফগান তালিবানের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নেই ইসলামাবাদের। দুই দেশ রয়েছে অকে অপরের সঙ্গে যুদ্ধের মেজাজে। এদিকে, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান বহুদিন ধরে শত্রুতার রাস্তা জিইয়ে রেখেছে। অন্যদিকে, ইজরায়েলের সঙ্গে পাকিস্তানের বনিবনা একদমই নেই! অন্তত আন্তর্জাতিক কূটনীতি তাইই বলে! সেই ইজরায়েল যদি ইরানে সরকার গঠন করতে ভূমিকা পালন করে, তাহলে তা যে ইরানের প্রতিবেশি পাকিস্তানের পক্ষে সুবিধার বার্তা নয়, সেই সমীকরণ আঁচ করছে ইসলামাবাদ! পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বলছেন,' ইরানের চুক্তির জন্য প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও, তাদের উপর একটি যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, এবং ইহুদিবাদীদের দ্বারা পরিচালিত তাদের এজেন্ডা হল পাকিস্তানের সীমান্ত পর্যন্ত ইজরায়েলের প্রভাব বিস্তার করা।' এরই সঙ্গে তিনি বলছেন,, যদি ইরানে ইজরায়েলি প্রভাবের সরকার আসে তাহলে ,'আফগানিস্তান, ইরান এবং ভারতের যৌথ একক দফা এজেন্ডা হবে পাকিস্তানের প্রতি শত্রুতা, আমাদের সীমান্তকে নিরাপত্তাহীন করে তোলা, চারদিক থেকে শত্রুদের দ্বারা আমাদের ঘিরে ফেলা এবং পাকিস্তানকে একটি দাসত্বের শিকার রাষ্ট্রে পরিণত করা।'
ভারতবিরোধী বক্তব্যের জন্য পরিচিত খাোয়াজা আসিফ, ইসলামাবাদের শত্রুদের ‘ষড়যন্ত্র এবং উদ্দেশ্য বুঝতে’ ২৫ কোটি পাকিস্তানিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর সাফ কথা,'রাজনৈতিক বা ধর্মীয় সম্পৃক্ততা নির্বিশেষে, ২৫ কোটি পাকিস্তানিদের এই ষড়যন্ত্র এবং আমাদের চিরশত্রুদের উদ্দেশ্য বোঝা প্রয়োজন।' একেই পাকিস্তান, আফগানিস্তানের সঙ্গে সংঘাতে। তারওপর তার প্রতিবেশী ইরান এমন দুই শক্তির সঙ্গেল সংঘাতে লিপ্ত, যার মধ্যে একটি শক্তি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আবার পাকিস্তানের সেনা প্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখেন। সেই জায়গা থেকে পাকিস্তান বেশ উদ্বেগে!
E-Paper











