'কেবল ভারতীয়দেরই থাকার...,' আমিরশাহীর হোটেলে নো এন্ট্রি, কান্না জুড়ল পাকিস্তান
UAE-Pakistan Tension: সম্প্রতি পাকিস্তানের সংসদে দাঁড়িয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তোলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (PTI)-এর নেতা।
UAE-Pakistan Tension: সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে (United Arab Emirates) গিয়ে চরম ‘অপমানিত’ পাক সাংসদ তথা পাকিস্তানের প্রাক্তন স্পিকার আসাদ কাইসার (Asad Qaiser)। তাঁর দাবি, বিমান বাতিল হওয়ার জেরে উপসাগরীয় দেশটির হোটেলে তাঁকে কোনও ঘর দেওয়া হয়নি। বলা হয়, সেখানে থাকার অধিকার শুধু ভারতীয় এবং মার্কিনদেরই রয়েছে। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ আসাদ কাইসার।

সম্প্রতি পাকিস্তানের সংসদে দাঁড়িয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তোলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (PTI)-এর নেতা। তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের যুদ্ধে পাকিস্তান ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও ঠিক সেই সময় পাকিস্তানিদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী কর্তৃপক্ষ। পাকিস্তানি সাংসদের কথায়, 'সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সঙ্গে আমাদের খুব ভাল সম্পর্ক আছে। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের যুদ্ধের সময় তারা একেবারেই ভাল ব্যবহার করেনি। যুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানিদের ফ্লাইট বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল। তাতে আমরা খুব হতাশ হয়ে ছিলাম।'
সংসদে দাঁড়িয়ে ওই পাকিস্তানি সাংসদ তথা প্রাক্তন স্পিকার বলেন, 'সম্প্রতি আমি আমিরশাহীতে গিয়েছিলাম। আমার বিমান বাতিল হয়ে গিয়েছিল। হোটেল খুঁজছিলাম। কিন্তু হোটেল কর্তৃপক্ষের আচরণ ছিল অত্যন্ত আপত্তিকর। আমরা যেহেতু পাকিস্তানি তাই আমাদের প্রতি তাদের মনোভাব ভালো ছিল না। ঘোষণা করা হয়, কেবল ভারতীয় এবং মার্কিন পাসপোর্টধারীদেরই থাকার ব্যবস্থা করা হবে। অর্থাৎ পাকিস্তানিদের প্রবেশাধিকার সেখানে নেই। আমি নিজেই এই ঘটনার বিরোধিতা করেছিলাম।' গোটা বিষয়টিতে কাইসার কূটনৈতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, পাকিস্তান ও আমিরশাহীর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। উপসাগরীয় দেশটিকে তিনি ‘ভ্রাতৃপ্রতিম ইসলামি রাষ্ট্র’ হিসাবেও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, আমিরশাহীর উন্নয়নে ইসলামাবাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কাইসার আরও দাবি করেছেন, এই ঘটনার পর তাঁর সঙ্গে আমিরশাহীর একটি প্রতিনিধি দল যোগাযোগ করেছে। তাঁর কথায়, 'পাকিস্তানের জনগণ আমিরশাহী সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পোষণ করে। তাই এই ধরনের ঘটনাকে দুই দেশের সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে দেওয়া উচিত নয়।' উল্লেখ্য, আমিরশাহীতে বিপুল সংখ্যক পাকিস্তানি বসবাস করেন। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে বসবাসকারী পাকিস্তানির সংখ্যা ১৫ লক্ষেরও বেশি।
E-Paper

