Pakistani MP On Kargil War: কার্গিলের আগে পাকিস্তানে বিস্ফোরক দাবি! 'পুরনো পাপ' মনে করিয়ে তোপ ফজলুর রহমানের

কার্গিলের প্রসঙ্গ টেনে ফজলুর রহমানকে বলতে শোনা যায়, পাকিস্তান নিজের শহিদ সেনাদের মর্যাদা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, নিহত সেনাদের মরদেহ ভারতেই পড়ে ছিল এবং ভারতই ইসলামি রীতিনীতি মেনে তাঁদের দাফনের ব্যবস্থা করেছিল। যদিও ভিডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

Published on: Jul 21, 2026, 07:54:25 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Pakistani MP On Kargil War: কার্গিল বিজয় দিবসের আগে পাকিস্তানের রাজনীতিতে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তানের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা এবং জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলামের (JUI-F) প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান সেই দেশের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে নিহত পাকিস্তানি সেনাদের প্রকৃত সংখ্যা আজও দেশের মানুষের সামনে প্রকাশ করা হয়নি। শুধু তাই নয়, নিহত বহু সেনার মরদেহও পাকিস্তান গ্রহণ করেনি।

কার্গিলের প্রসঙ্গ টেনে ফজলুর রহমানকে বলতে শোনা যায়, পাকিস্তান নিজের শহিদ সেনাদের মর্যাদা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে।
কার্গিলের প্রসঙ্গ টেনে ফজলুর রহমানকে বলতে শোনা যায়, পাকিস্তান নিজের শহিদ সেনাদের মর্যাদা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে ফজলুর রহমানকে বলতে শোনা যায়, পাকিস্তান নিজের শহিদ সেনাদের মর্যাদা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, নিহত সেনাদের মরদেহ ভারতেই পড়ে ছিল এবং ভারতই ইসলামি রীতিনীতি মেনে তাঁদের দাফনের ব্যবস্থা করেছিল। যদিও ভিডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

এক জনসভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে ফজলুর রহমান বলেন, 'কার্গিলে আমাদের কতজন সেনা নিহত হয়েছিল, তা কি কখনও দেশবাসীকে জানানো হয়েছে? কতটি কফিন আপনারা ফিরিয়ে এনেছিলেন? আপনারা নিজেদের শহিদদের হিন্দুদের হাতেই ফেলে রেখেছিলেন।' তাঁর দাবি, নিহতের সংখ্যা কয়েকশো হলেও কখনও প্রকৃত হিসাব প্রকাশ করা হয়নি। বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন পরিসংখ্যান সামনে এসেছে।

তিনি পাকিস্তানের ক্যাপ্টেন কর্নেল শের খানের প্রসঙ্গও তোলেন। ফজলুর রহমানের দাবি, তাঁর মরদেহও পাকিস্তান প্রথমে নিতে চায়নি। ভারতের পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করার পরই সেটি গ্রহণ করা হয়। তাঁর অভিযোগ, পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব নিজেদের সেনাদের প্রতিও দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে।

ফজলুর রহমানের এই মন্তব্য নতুন নয়, বরং কার্গিল যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের সরকারি অবস্থানের দিকেই ইঙ্গিত করে। ১৯৯৯ সালে ইসলামাবাদ প্রথম থেকেই দাবি করেছিল, কার্গিলে লড়াই করছে কাশ্মীরি জঙ্গিরা, পাকিস্তানের নিয়মিত সেনাবাহিনী নয়। অন্যদিকে ভারতের দাবি ছিল, অনুপ্রবেশকারীরা আসলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সদস্য, যারা জঙ্গির ছদ্মবেশে ভারতীয় চৌকিগুলি দখল করেছিল।

যুদ্ধ চলাকালীন বহু পাকিস্তানি সেনার মরদেহ উদ্ধার করে ভারত। কিন্তু পাকিস্তান তাদের নিজেদের সেনা হিসেবে স্বীকার করতে অস্বীকার করে এবং একাধিক মরদেহ গ্রহণও করেনি। পরে ভারত সেই মরদেহগুলির ইসলামি রীতি মেনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত লাদাখের কার্গিল সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC) বরাবর এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। পাকিস্তানি বাহিনী অনুপ্রবেশ করে একাধিক ভারতীয় পাহাড়ি চৌকি দখল করেছিল। জবাবে ভারত অপারেশন বিজয় শুরু করে এবং ধাপে ধাপে সমস্ত দখল হওয়া চৌকি পুনরুদ্ধার করে। ২৬ জুলাই ভারত বিজয়ের ঘোষণা দেয়। সেই থেকেই প্রতি বছর ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More