Kanpur Plane Crash: ফের মাঝ আকাশে বিপর্যয়! গঙ্গার ধারেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বিমান, নিহত ২ পাইলট
Kanpur Plane Crash: বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রশিক্ষণ চলাকালীন নাত্থু পুরওয়া গ্রামের গঙ্গার ব্যারেজের ধারে বিমানটি ভেঙে পড়ে। দুই ইঞ্জিনের ছোট বিমানটিতে একজন প্রশিক্ষণরত পাইলট এবং একজন সিনিয়র পাইলট ছিলেন।
Kanpur Plane Crash: আবারও মাঝ আকাশে বড় বিপর্যয়। উত্তরপ্রদেশের কানপুরে ভেঙে পড়ল বেসরকারি বিমান সংস্থার একটি প্রশিক্ষণ বিমান (Kanpur Plane Crash)। এই দুর্ঘটনায় বিমানের দুই পাইলটেরই মৃত্যু হয়েছে। সজোরে আছড়ে পড়ে বিমানটি একেবারে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। স্থানীয়রা উদ্ধারকাজ শুরু করেছেন।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রশিক্ষণ চলাকালীন নাত্থু পুরওয়া গ্রামের গঙ্গার ব্যারেজের ধারে বিমানটি ভেঙে পড়ে। দুই ইঞ্জিনের ছোট বিমানটিতে একজন প্রশিক্ষণরত পাইলট এবং একজন সিনিয়র পাইলট ছিলেন। মৃতদের নাম শচীন ভাটিয়া ও অভিষেক পূজারী। শচীন ভাটিয়া গুজরাট এবং অভিষেক পূজারী কর্ণাটকের বাসিন্দা। ঘটনাস্থালেই দুই পাইলটের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়েই পুলিশ, এমার্জেন্সি টিম ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। তবে কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। ২০২৩ সালে বিমানটি এই সংস্থায় আনা হয়েছিল।
স্থানীয় সূত্রের খবর, এদিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ কানপুরের 'গার্গ অ্যাভিয়েশন' ট্রেনিং সেন্টার থেকে বিমানটি উড়েছিল। বেলা ১১টা ৫০ নাগাদ ফেরার পথেই দুর্ঘটনাটি ঘটে। সে সময় বিমানটি ফিরছিল ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেই। বিমানের ডানা ও বিভিন্ন অংশ ভেঙে চুরমার হয়ে দুমড়ে-মুচড়ে মাঠে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। সূত্রের খবর, যে পাইলট প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন তাঁর অন্তত ৩ হাজার ঘণ্টা বিমান ওড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে পাইলটের অনভিজ্ঞতার তত্ত্ব খাটে না। কানপুরের পুলিশ কমিশনার রঘুবীর লাল জানান, 'ইন্সট্রাক্টরের প্রায় ৩,০০০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল। ডিজিসিএ-কে জানানো হয়েছে, তারা এসে তদন্ত করবে। পুলিশ এলাকাটি ঘিরে রেখেছে।' এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং তাদের এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই ছিল আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার বর্ষপূর্তি। এক বছর আগের বিভীষিকার স্মৃতি এখনও অমলিন ভুক্তভোগীদের মনে। সেই দুর্ঘটনার তদন্ত এখনও সম্পন্ন হয়নি। প্রাথমিক রিপোর্টে পাইলটদের দোষী বলে ইঙ্গিত করা হলেও পাইলটদের সংগঠন তা মানতে রাজি নয়। এমনকী দুর্ঘটনার দরুন যে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার কথা যাত্রীদের পরিবারগুলির, সেটাও এখনও সকলে পাননি। ওই ঘটনার পরও দেশে একাধিক বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। মৃত্যু হয়েছে অজিত পাওয়ারের মতো রাজনৈতিক নেতার। এই দুর্ঘটনাগুলির অনেকগুলিরই কারণ এখনও জানা যায়নি। এবার কানপুরে ফের বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
E-Paper

