PM Kisan 24th installment: কৃষকদের জন্য বড় খবর! পিএম কিষাণের পরবর্তী ২,০০০ টাকা কবে ঢুকবে অ্যাকাউন্টে
PM Kisan 24th installment expected date: পিএম কিষাণ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অন্নদাতাদের সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে এই প্রকল্পের পরবর্তী অর্থাৎ ২৪তম কিস্তির (24th Installment) টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের স্তরে জোরদার প্রস্তুতি চলছে।
PM kisan beneficiary status check 2026: ভারতের কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে এবং তাঁদের চাষবাসের খরচ জোগাতে মোদী সরকারের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় প্রকল্প হলো ‘প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি’ (PM Kisan Samman Nidhi)। এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অধীনে দেশের কোটি কোটি প্রান্তিক কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতি বছর সরাসরি ৬,০০০ টাকা পাঠায় কেন্দ্র। প্রতি চার মাস অন্তর ২,০০০ টাকা করে মোট তিনটি কিস্তিতে এই আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়।

ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে কৃষকেরা পিএম কিষাণের পরবর্তী কিস্তির টাকা পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। ২০২৬ সালের এই মরসুমে পরবর্তী ২,০০০ টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে কবে ঢুকতে পারে, কারা এই টাকা পাবেন এবং তালিকায় নিজের নাম কীভাবে যাচাই করবেন—তা জেনে নিন এখান থেকে।
পিএম কিষাণ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অন্নদাতাদের সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে এই প্রকল্পের পরবর্তী অর্থাৎ ২৪তম কিস্তির (24th Installment) টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের স্তরে জোরদার প্রস্তুতি চলছে।
কবে মিলবে পরবর্তী কিস্তির টাকা? সম্ভাব্য তারিখ
কেন্দ্র সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর এই কিস্তির টাকা রিলিজ করে। সেই নিয়মানুযায়ী, ২০২৬ সালের এই ত্রৈমাসিক পর্বে আগামী মাসের মাঝামাঝি কিংবা শেষ সপ্তাহের মধ্যেই যোগ্য কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি বা ডিবিটি (DBT) মোডের মাধ্যমে ২,০০০ টাকা ক্রেডিট হয়ে যেতে পারে। তবে চূড়ান্ত ও নির্দিষ্ট দিনক্ষণ নিয়ে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রকের তরফ থেকে অফিশিয়াল নোটিফিকেশন জারি হওয়া মাত্রই তা কৃষকদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
টাকা পেতে কৃষকদের কোন ৩টি কাজ করা বাধ্যতামূলক?
সরকার পিএম কিষাণ প্রকল্পের দুর্নীতি রুখতে এবং সঠিক কৃষকের হাতে টাকা পৌঁছে দিতে নিয়মকানুন আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর করেছে। আপনি যদি এই ৩টি কাজ সম্পূর্ণ না করে থাকেন, তবে আপনার আগামী কিস্তির টাকা আটকে যেতে পারে:
১. ই-কেওয়াইসি (e-KYC) সম্পূর্ণ করা: প্রতিটি উপভোক্তা কৃষকের জন্য ই-কেওয়াইসি করা বাধ্যতামূলক। পিএম কিষাণের অফিশিয়াল পোর্টালে গিয়ে ওটিপি (OTP) বা নিকটবর্তী তথ্য মিত্র কেন্দ্রে বায়োমেট্রিকের মাধ্যমে এটি করা যাবে।
২. ভূ-লেখ যাচাইকরণ (Land Sidelines verification): কৃষকের চাষের জমির নথিপত্র বা খতিয়ান পিএম কিষাণ অ্যাকাউন্টের সাথে সম্পূর্ণ লিঙ্কড থাকতে হবে।
৩. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও আধার সংযোগ: যে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে, সেটির সাথে আধার নম্বর যুক্ত থাকা এবং ডিবিটি (Direct Benefit Transfer) অপশনটি চালু থাকা আবশ্যক।
অনলাইন তালিকায় নিজের নাম চেক করার সহজ উপায়
আপনি আগামী কিস্তির টাকা পাবেন কি না, তা ঘরে বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দেখে নিতে পারেন:
- প্রথমে পিএম কিষাণের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (pmkisan.gov.in) ভিজিট করুন।
- হোম পেজে থাকা ‘Beneficiary Status’ বা উপভোক্তার স্থিতি অপশনে ক্লিক করুন।
- এরপর আপনার পিএম কিষাণ রেজিস্ট্রেশন নম্বর অথবা মোবাইল নম্বর এবং ক্যাপচা কোডটি সঠিকভাবে এন্টার করুন।
- ‘Get Data’ বাটনে ক্লিক করলেই আপনার স্ক্রিনে ই-কেওয়াইসি স্ট্যাটাস, ল্যান্ড ভেরিফিকেশন এবং পরবর্তী কিস্তির অনুমোদনের সম্পূর্ণ বিবরণ ভেসে উঠবে।
প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনা দেশের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য এক দারুণ আশার আলো। চাষের মরসুমে এই ২,০০০ টাকা তাঁদের বীজ ও সার কেনার খরচ জোগাতে প্রভূত সাহায্য করে। তাই আর দেরি না করে অবিলম্বে আপনার অ্যাকাউন্টের স্ট্যাটাস চেক করে নিন এবং কোনো ত্রুটি থাকলে তা দ্রুত সংশোধন করুন, যাতে টাকা আসার দিন আপনার অ্যাকাউন্ট খালি না থাকে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


