Modi on Gas Scarcity: 'পরিস্থিতি যে চ্যালেঞ্জিং তা অস্বীকার করার উপায় নেই', 'মন কি বাতে' জ্বালানি সংকট নিয়ে বার্তা মোদীর
মোদী বলেন, 'অস্বীকার করার উপায় নেই যে পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং। আমি আমার দেশবাসীকে বলতে চাই যে আপনাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং কোনও গুজবে কান দেবেন না।'
'মন কি বাত'-এর মাধ্যমে দেশবাসীর উদ্দেশে পশ্চিম এশিয়া নিয়ে একটি বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধের কারণে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলা করতে ১৪০ কোটি ভারতীয়কে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে বার্তা দিলেন মোদী। তিনি বলেন, 'অস্বীকার করার উপায় নেই যে পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং। আমি আমার দেশবাসীকে বলতে চাই যে আপনাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং কোনও গুজবে কান দেবেন না।'

মোদী বলেন, 'উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসকারী এবং কর্মরত এক কোটি ভারতীয়কে সম্ভাব্য সমস্ত সহায়তা দেওয়ার জন্য আমি উপসাগরীয় দেশগুলির কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এমন কঠিন সময়ে এ বিষয়ে কোনও রাজনীতি হওয়া উচিত নয়। এরই সঙ্গে আমি দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানাই যে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং আমাদের এই চ্যালেঞ্জ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যারা রাজনীতি করছেন তাদের রাজনীতি করা উচিত নয়। এই বিষয়টি ১৪০ কোটি দেশবাসীর স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত। সরকার ধারাবাহিকভাবে যে তথ্য দিচ্ছে সেটাই যেন মানুষ বিশ্বাস করে।'
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'যে অঞ্চলে যুদ্ধ চলছে, সেটা আমাদের জ্বালানি চাহিদা মেটানোর সবচেয়ে বড় কেন্দ্র। সারা বিশ্বে ডিজেল ও পেট্রোল নিয়ে সংকটময় পরিস্থিতি। ভারতও দৃঢ়ভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে।' প্রধানমন্ত্রীর কথায়, 'মার্চ মাসটি বিশ্বস্তরে অত্যন্ত অশান্ত ছিল। এর আগে এক মার্চ মাসেই কোভিড নিয়ে ক্ষোভ উঠেছিল। আমরা ভেবেছিলাম যে কোভিড থেকে বেরিয়ে আসার পর বিশ্ব একটি নতুন পথে এগিয়ে যাবে। তবে বিশ্বে ক্রমাগত যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছিল, যা দুর্ভাগ্যজনক।' তিনি জানান, হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে জাহাজ চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে, যা বাণিজ্য রুটগুলিকে প্রভাবিত করেছে। সরকার পেট্রোল, ডিজেল এবং গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গৃহস্থালির এলপিজি গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। দেশে কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ ৫.৩ মিলিয়ন টনের বেশি এবং এটি বাড়ানো হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


