Middle East Tension: 'গোটা বিশ্বের উপর...,' দিল্লিতে জয়োল্লাসের মধ্যে যুদ্ধ নিয়ে ইঙ্গিতবাহী বার্তা PM মোদীর

Middle East Tension: প্রধানমন্ত্রী জানান, তৃণমূল ভাঙার রাজনীতি করছে। কখনও ভাষা নিয়ে বিবাদ, কখনও আবার খাদ্যাভাস নিয়ে সমাজকে বিভাজনের চেষ্টা করা হয়েছে। আবার কখনও নিজের দেশের মানুষকেই ‘বহিরাগত’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

Published on: May 4, 2026, 23:31:07 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Middle East Tension: বিভাজনের রাজনীতির কারণে বাংলায় ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের। দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে বিজয়বার্তা দেওয়ার সময় এ কথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুধু বাংলা নয়, তামিলনাড়ু এবং কেরলেও সরকারের পতনের কারণ হিসেবে বিভাজনের রাজনীতিকেই দায়ী করেছেন তিনি। একদিকে যখন দেশের ৫ রাজ্যের মধ্যে ৪ রাজ্যে বিজেপির বিজয় পতাকা উড়ছে, তখন দিল্লি থেকে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের অর্থনীতিকে নিয়ে ইঙ্গিতবাহী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

যুদ্ধ নিয়ে ইঙ্গিতবাহী বার্তা PM মোদীর (ANI Photo/Amit) (Amit)
যুদ্ধ নিয়ে ইঙ্গিতবাহী বার্তা PM মোদীর (ANI Photo/Amit) (Amit)

এদিন বিজেপির সদর দফতর থেকে দলের কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, পশ্চিম এশিয়ায় সংকট বিশ্ব অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। তবে ভারত 'পূর্ণ শক্তি ও দৃঢ়তার' সঙ্গে এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে। তিনি বলেন, 'আজ ঐতিহাসিক, অভূতপূর্ব দিন। আজকের দিনটা অনেক কারণে বিশেষ। এটা দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করার দিন। গণতন্ত্রের উপর ভরসা, দক্ষতার উপর ভরসা এবং ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতে’র উপর ভরসার দিন।' প্রধানমন্ত্রীর কথায়, 'পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সংঘাত গোটা বিশ্বের উপর প্রভাব ফেলেছে। কিন্তু পূর্ণ শক্তি দিয়ে এই সঙ্কটের মোকাবিলা করছে।'

প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও জানান, তৃণমূল ভাঙার রাজনীতি করছে। কখনও ভাষা নিয়ে বিবাদ, কখনও আবার খাদ্যাভাস নিয়ে সমাজকে বিভাজনের চেষ্টা করা হয়েছে। আবার কখনও নিজের দেশের মানুষকেই ‘বহিরাগত’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই বিভাজনের জন্যই বাংলা, কেরল ও তামিলনাড়ুতে সরকারের পতন হয়েছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, 'এই বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে সাফ জবাব দিয়েছে জনতা। মানুষ জানিয়ে দিয়েছে, বিবাদ নয় বিকাশ চাই। বিভাজন নয়, বিশ্বাস চাই।' বিজয় বার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আজকের ভারত প্রগতি চায়, স্থিরতা চায়। ভারত চায় এমন রাজনীতি যা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে। দিল্লির সদর দফতর থেকে দেশবাসীকে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী আজকের দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব’ বলে অভিহিত করেন। বাংলার মানুষের এই রায়কে গণতন্ত্রের জয় হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি বিজেপির কোটি কোটি সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। এরই মাঝে তিনি বাংলার মানুষের উদ্দেশ্যে জানান, বঙ্গের উন্নতির জন্য বিজেপি অক্লান্ত ভাবে কাজ করে যাবে। তাঁর কথায় অনুপ্রবেশ সমস্যার কথাও উঠে আসে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বন্দনাও শোনা যায় এদিন তাঁর গলায়।