UP police constable arrested: রক্ষকই ভক্ষক! নাবালিকা ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকে গণধোলাই, গোরখপুরে হুলুস্থূল

UP police constable arrested: এই ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্ত কনস্টেবল অভিষেক যাদবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, হাসপাতালের বাইরে ওই নাবালিকার সঙ্গে কথা বলছেন ইউনিফর্মে পরা অভিষেক যাদব। তার খানিকবাদে নিজের বাইকে দশ বছরের শিশুকন্যাকে তুলে নেন তিনি।

Published on: Jul 31, 2026, 13:35:48 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

UP police constable arrested: যে রক্ষক সেই ভক্ষক! ১০ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উত্তরপ্রদেশের এক কনস্টেবলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি পুলিশের আপাতকালীন ১১২ নম্বরের কর্মী।বেনজির ঘটনাটি ঘটেছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের খাসতালুক গোরখপুরে।

নাবালিকা ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকে গণধোলাই, গোরখপুরে হুলুস্থূল (HT_PRINT)
নাবালিকা ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকে গণধোলাই, গোরখপুরে হুলুস্থূল (HT_PRINT)

পুলিশ সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বড় বোনকে খাবার পৌঁছে দিতে গোরখপুর জেলা হাসপাতালে গিয়েছিল ওই নাবালিকা। রাত ৯টা নাগাদ হাসপাতাল থেকে বেরোনোর পর রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায় ওই নাবালিকা। ওই ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। চারিদিকে তাঁকে খুঁজতে শুরু করেন পরিবারের সদ্যসরা। কিন্তু তাঁর হদিশ না পাওয়ায় পুলিশকে খবর দেয় পরিবারের সদস্যরা। এরপরেই ওই নাবালিকার তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাপ্তি নদীর ওপর চিউতিহান সেতুর কাছ থেকে ওই নাবালিকার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্ত কনস্টেবল অভিষেক যাদবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, হাসপাতালের বাইরে ওই নাবালিকার সঙ্গে কথা বলছেন ইউনিফর্মে পরা অভিষেক। তার খানিকবাদে নিজের বাইকে দশ বছরের শিশুকন্যাকে তুলে নেন তিনি। এর পরেই অভিষেককে আটক করে জেরা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বাইকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর তদন্তকারীদের ওই কনস্টেবলকে শনাক্ত করতে সাহায্য করেছে। এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, 'অভিষেক যাদব ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় শিশুটিকে নিয়ে যান এবং ডিউটি ​​শেষে ফিরে এসে অপরাধটি করেন।' তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, জেরার মুখে অভিষেক স্বীকার করেছেন যে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার ভয়ে তিনি ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে খুন করেছেন। অন্যদিকে, গ্রেফতারের পরে ধৃত অভিষেক যাদবকে বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটা নাগাদ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গোরখপুর হাসপাতালে নিয়ে যান পুলিশ আধিকারিকরা। নাবালিকার খুনিকে দেখেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স ও কর্মীরা। পুলিশের ঘেরাটোপে থাকা অভিষেককে ধরে উত্তমমধ্যম শুরু করে দেন তাঁরা। প্রথমে খানিকটা হতচকিত হয়ে পড়েন পুলিশ আধিকারিকরা। কোনও ক্রমে ওই জনরোষ থেকে বাঁচিয়ে নিরাপদ দুরত্বে নিয়ে যান অভিযুক্ত কনস্টেবলকে।

গোরখপুরের সিনিয়র পুলিশ সুপার কৌস্তভা জানিয়েছেন, ২০০ সিসিটিভ ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়েছে। ২০১৮-র ব্যাচের কনেস্টবল দোষ স্বীকার করেছেন। তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়াও ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট (এনএসএ)-এর আওতায় তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অতীতে এক মহিলার শ্লীলহানির মামলায় বরখাস্ত এবং জেল হয়েছিল অভিষেক যাদবের। ২০২৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের এক মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছিল অভিষেকের বিরুদ্ধে। ওই অভিযোগে গত বছর জানুয়ারিতে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন তিনি। আবার ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁকে পুনর্বহাল করা হয়।