Fake CBI raid: ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুরো ঘটনাটি এলাকার সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। সেই ফুটেজের সূত্র ধরে অভিযুক্তদের খোঁজে জোরদার তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ।
Fake CBI raid: বলিউডের সিনেমার প্লট এবার বাস্তবে! ছক কষে দিল্লির রোহিণীতে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)-এর ভুয়ো আধিকারিক সেজে তল্লাশি চালানোর এক দুঃসাহসিক অভিযান রুখে দিলেন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা। আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সকলে বলছেন, 'ঠিক একেবারে স্পেশাল ২৬' (Special 26 in real life)।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রায় ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল সিবিআই অফিসার পরিচয় দিয়ে জোরপূর্বক ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করে (Fake CBI raid)। পরিবারের অভিযোগ, দলটির কাছে তল্লাশির জন্য সার্চ ওয়ারেন্ট দেখতে চাইলে তারা কোনও বৈধ নথি দেখাতে পারেনি। এতেই সন্দেহ গভীর হয় পরিবারের সদস্যদের। সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সার্চ ওয়ারেন্ট না থাকলেও দলটি বাড়ি ছেড়ে যেতে অস্বীকার করে এবং নিজেদের আসল সিবিআই আধিকারিক বলেই দাবি করতে থাকে। ততক্ষণে শোরগোলে ওই বাড়ির সামনে জমায়েত হন প্রতিবেশীরাও। তাঁরাও দলটিকে ঘিরে ধরে তল্লাশির জন্য সার্চ ওয়ারেন্ট দেখতে চান।
অন্যদিকে, পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অভিযুক্তরা দাবি করে যে সার্চ ওয়ারেন্ট গাড়ির ভেতরে রাখা রয়েছে। এরপর সেই নথি আনার বাহানা করে গাড়ি নিয়ে চম্পট দেয় গোটা চক্রটি। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, ভুয়ো আধিকারিকদের পোশাকে সিবিআই-এর লোগো লাগানো ছিল এবং তাদের গলায় সিবিআই-এর পরিচয়পত্রও ঝুলছিল। শুধু তাই নয়, তল্লাশির আগে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সিবিআই ডিরেক্টরের নাম ও স্বাক্ষরিত একটি ভুয়ো নোটিশও পাঠানো হয়েছিল ওই পরিবারকে। অভিযুক্তরা পরবর্তীতে মেসেজটি ডিলিট করে দিলেও, ওই ব্যবসায়ীর পরিবার আগেই তার স্ক্রিনশট নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুরো ঘটনাটি এলাকার সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। সেই ফুটেজের সূত্র ধরে অভিযুক্তদের খোঁজে জোরদার তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। তবে, পুলিশ এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিবৃতি দেয়নি। উল্লেখ্য, অক্ষয় কুমার ও মনোজ বাজপেয়ী অভিনীত ‘স্পেশাল ২৬’ ছবিতে ঠিক এভাবেই সিবিআই সেজে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের বাড়িতে হানা দিত একদল প্রতারক। রোহিণী এলাকার এই ঘটনা সেই সিনেমার দৃশ্যকেই যেন হুবহু মনে করিয়ে দিয়েছে।