Mysterious Death:ট্রেন থেকে হঠাৎ নিখোঁজ! মিলল নিথর দেহ, প্রশান্ত কিশোরের ডিজিটাল মিডিয়া ম্যানেজারের মৃত্যুতে রহস্য
রাঁচি থেকে পাটনা জনশতাব্দী এক্সপ্রেসে যেদিন শেষ সফর করছিলেন দেবপালিক, সেদিন তিনি একা ছিলেন না। তাঁর সঙ্গে আরও দুই সহযোগী ছিলেন।
জনসুরজ পার্টির প্রধান প্রশান্ত কিশোরের ডিডজিটাল মিডিয়া ম্যানেজারের মৃত্যু ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য।পিকের ডিজিটাল মিডিয়া ম্যানেজার দেবপালিক গুপ্তা সোমবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরে ৩১ বছর বয়সী দেবপালিকের নিথর দেহ উদ্ধার হতেই চাঞ্চল্য শুরু হয়।

রাঁচি থেকে পাটনা জনশতাব্দী এক্সপ্রেসে যেদিন শেষ সফর করছিলেন দেবপালিক, সেদিন তিনি একা ছিলেন না। তাঁর সঙ্গে আরও দুই সহযোগী ছিলেন। আর সেই ট্রেন থেকেই হঠাৎ দেবপালিক নিখোঁজ হন বলে খবর। পরে ঝাড়ওয়াদির কাছে রেললাইনের পাশ থেকে দেবপালিকের নিখর দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই এলাকা পড়ে রাঁচির শেষপ্রান্তে। এদিকে দেবপালিকের দেহ উদ্ধার হতেই রহস্য আরও ঘনাচ্ছে। ঘটনা ঘিরে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। পুলিশ কর্মকর্তা গৌরব গোস্বামী জানিয়েছেন যে প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে দেবপালিক মাথায় আঘাত পেয়ে থাকতে পারেন। তিনি বলেন, মনে হচ্ছে দেবপালিক চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গিয়েছিলেন, যদিও পরিস্থিতি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর মরদেহ রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস (রিমস)-এ পাঠানো হয়েছে। ট্রেনটি দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে পাটনার উদ্দেশে রওনা হয়। পিটিআই জানিয়েছে, ট্রেন ছাড়ার ১০ মিনিট পর দেবপালিক খাবার আনতে প্যান্ট্রি কারের দিকে যান। এরপরই তিনি ও তাঁর আরেক সঙ্গী নিশান্ত দেবপালিককে শেষবারের মতো দেখেছিলেন। কিন্তু ২ ঘণ্টা পরও দেবপালিক না ফেরায় উদ্বেগ তৈরি হয়। তখনই শুরু হয় খোঁজ। ট্রেনের কোথাও তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
জন সুরজ পার্টির মুখপাত্র এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, ‘আমরা জানি না দেবপালিক গুপ্ত কীভাবে বা কী পরিস্থিতিতে মারা গেছেন। তাই, এর পেছনে কোনোও রাজনৈতিক বা অন্য কোনো ষড়যন্ত্র ছিল বলে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে দাবি করতে পারি না। যদি দেবপালিক কোনো রাজনৈতিক বা অন্য কোনো ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে থাকেন, তবে তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া আবশ্যক।’ উল্লেখ্য, প্রশান্ত কিশোর তাঁর জনসুরজ পার্টি শুরু করার পর, গত ৪ বছর ধরে তাঁর সঙ্গে কাজ করছিলেন দেবপালিক।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


