Premanand Maharaj disciple Death: ঘরে উদ্ধার গ্রাইন্ডার, পোশাকে রক্ত! প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য-মৃত্যুতে রহস্য বাড়ছে
দুলারি শরণের মৃত্যুকে কী কী উঠে আসছে!
প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দুলারি শরণের মৃত্যু ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে রহস্য। উত্তর প্রদেশের বৃন্দাবনে সদ্য তিনি এক উঁচু ভবন থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার রাস্তা বেছে নেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল। তাঁর সেই অন্তিম মুহূর্তের ভয়াবহ সিসিটিভি ফুটেজের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরপাক খাচ্ছে। এরই মাঝে পুলিশি তদন্তে উঠে এল একাধিক তথ্য, যা ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য।

দীপক লোধি ওরফে রশিক দুলারি শরণের মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে পুলিশ প্রাথমিকভাবে দেখলেও, তাঁর পড়ে যাওয়ার আগে কী ঘটেছিল তা নিয়ে তারা আরও গভীরভাবে তদন্ত করছে। দুলারি শরণের মোবাইল ফোন থেকে মুছে ফেলা চ্যাট, ভিডিও বা অন্যান্য ডেটা ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনো আলোকপাত করতে পারে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, দীপক লোধি, যিনি প্রায় দুই বছর আগে সন্ত প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে দীক্ষা নেওয়ার পর রশিক দুলারি শরণ নাম ধারণ করেছিলেন , শুক্রবার সকালে বৃন্দাবনের গুরু কৃপা কুঞ্জ আশ্রমের চতুর্থ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যির কোলে ঢোলে পড়েন।
সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল প্রায় সাড়ে ১০টায় ঘটনাটি ঘটে। ফুটেডে পুলিশের খতিয়ে দেখেছে , রশিক শরণ সকাল প্রায় ১০টা ২৫ মিনিটে তার ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। এদিকে, পুলিশি তদন্তের জেরে জানা গিয়েছে, দুলারি শরণের পোশাকে রক্তের দাগ দেখা গিয়েছিল। তৃতীয় তলা থেকে চতুর্থ তলার ছাদে যাওয়ার আগে তিনি কিছুক্ষণ ঘরের বাইরে ছিলেন। মৃত্যুর আগে, দুলারি শরণকে ছাদে বসে থাকতে দেখা যায় এবং কিছুক্ষণ পর তিনি প্রায় ১০ সেকেন্ডের জন্য মাটিতে শুয়ে ছিলেন। পরে তিনি হঠাৎ উঠে দাঁড়ান এবং সকাল প্রায় ১০টা ৩৬ মিনিটের দিকে ছাদ থেকে লাফ দেন। তার মাথা ও শরীরে গুরুতর আঘাত লেগেছিল এবং তাকে নিকটবর্তী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করছে, তদন্তে জানা গিয়েছে দুলারি শরণের গোপনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়াও তাঁর ঘরে গ্রাইন্ডার উদ্ধার হয়েছে।
তার মোবাইল ফোনটি তথ্য উদ্ধারের জন্য একটি ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, মৃত্যুর আগে তিনি কোনো ছবি, ভিডিও, চ্যাট বা অন্য কোনো সামগ্রী মুছে ফেলেছিলেন কি না এবং মুছে ফেলা সেই তথ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব কি না।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


