Narendra Modi Independence Day Speech: বড় স্বপ্ন দেখুন, ২০৪৭-এর মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ার ডাক মোদীর

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে। তাঁর দাবি, ভারত এখন নতুন উচ্চতায় পৌঁছনোর স্বপ্ন দেখছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত করা সম্ভব বলেও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।

Updated on: Aug 15, 2026, 08:59:47 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Narendra Modi Independence Day Speech: স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে দেশবাসীকে বড় স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে তিনি বললেন, বড় স্বপ্ন থাকলে বড় লক্ষ্য পূরণের জন্য আরও কঠিন পরিশ্রম করা যায়। শক্ত সংকল্প থাকলে সমস্যার মধ্যেও পথ খুঁজে বের করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতকে বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য সংকল্পও বড় হতে হবে। তাঁর মতে, স্বপ্ন ও সংকল্প যত বড় হবে, সাফল্যের জন্য পরিশ্রমও তত বাড়বে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতকে বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য সংকল্পও বড় হতে হবে। (@narendramodi)
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতকে বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য সংকল্পও বড় হতে হবে। (@narendramodi)

মোদী আরও বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে। তাঁর দাবি, ভারত এখন নতুন উচ্চতায় পৌঁছনোর স্বপ্ন দেখছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত করা সম্ভব বলেও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে একসঙ্গে এই লক্ষ্য পূরণ করতে হবে। তাঁর মতে, এই সংকল্প ভারতের সাহসের পরিচয় দেবে। একই সঙ্গে বিশ্বের কাছেও ভারতের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হবে।

ভাষণে সাধারণ মানুষের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, গত ১২ বছরে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করেছেন। দলিত, গরিব, মধ্যবিত্ত এবং যুবসমাজের মানুষ নিজেদের মতো করে দেশের উন্নয়নে অবদান রেখেছেন।

এই প্রচেষ্টার ফলেই ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন বলে দাবি করেন মোদী। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ নিজের জায়গা থেকে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তাঁদের প্রত্যেকের অবদানকে তিনি সম্মান জানান।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ব এখন নতুন ভারতের দিকে নজর দিচ্ছে। বড় স্বপ্ন দেখা এবং তা পূরণ করার সাহসই নতুন ভারতের পরিচয় হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, ভারতের এই প্রচেষ্টা এখন বিশ্বের নজর এড়াতে পারছে না।

ভাষণে আত্মনির্ভরতার উপরও বিশেষ জোর দেন মোদী। তিনি বলেন, ভারত অন্য দেশের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে চায় না। দেশের প্রয়োজনীয় জিনিস যতটা সম্ভব দেশেই তৈরি করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই স্বদেশি, আত্মনির্ভরতা এবং ‘ভোকাল ফর লোকাল’-এর উপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উন্নত ভারত গড়ার পাশাপাশি দেশের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর বার্তাও স্পষ্ট ছিল। তাঁর কথায়, সংকল্প শক্ত হলে কোনও সমস্যাই চূড়ান্ত বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও সঠিক পথ খুঁজে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

এদিনের ভাষণে উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্যকে জাতীয় সংকল্প হিসেবে তুলে ধরেন মোদী। তাঁর বার্তা ছিল, দেশকে এগিয়ে নিতে শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সাধারণ মানুষকেও সেই যাত্রায় সামিল হতে হবে।

স্বাধীনতা দিবসের এই ভাষণে তাই উন্নয়ন, আত্মনির্ভরতা এবং বড় স্বপ্নের পাশাপাশি দেশবাসীর সম্মিলিত দায়িত্বের কথাই সামনে আনলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০৪৭-এর লক্ষ্য পূরণে গোটা দেশের মানুষকে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন তিনি।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More