Independence Day Modi's Turban: স্বাধীনতা দিবসে ফের নজর কাড়ল মোদীর পাগড়ি, ২০২৬-এ লাল-রঙা বাঁধনী সাজ

এবার প্রধানমন্ত্রীকে দেখা গেল উজ্জ্বল লাল রঙের টাই-অ্যান্ড-ডাই পাগড়িতে। পাগড়িটির নকশায় রাজস্থান ও গুজরাটের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের ছাপ ছিল। এর সঙ্গে তিনি পরেছিলেন সাদা কুর্তা এবং বাদামি রঙের ভেস্ট।

Published on: Aug 15, 2026, 08:33:58 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Independence Day Modi's Turban: ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে ফের নজর কাড়ল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পোশাক। দিল্লির লালকেল্লা থেকে টানা ১৩তম বার স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিলেন তিনি। আর সেই অনুষ্ঠানে তাঁর পাগড়িই হয়ে উঠল অন্যতম আকর্ষণ।

এবার প্রধানমন্ত্রীকে দেখা গেল উজ্জ্বল লাল রঙের টাই-অ্যান্ড-ডাই পাগড়িতে। (@narendramodi)
এবার প্রধানমন্ত্রীকে দেখা গেল উজ্জ্বল লাল রঙের টাই-অ্যান্ড-ডাই পাগড়িতে। (@narendramodi)

এবার প্রধানমন্ত্রীকে দেখা গেল উজ্জ্বল লাল রঙের টাই-অ্যান্ড-ডাই পাগড়িতে। পাগড়িটির নকশায় রাজস্থান ও গুজরাটের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের ছাপ ছিল। এর সঙ্গে তিনি পরেছিলেন সাদা কুর্তা এবং বাদামি রঙের ভেস্ট।

পোশাকের সঙ্গে ছিল তিন রঙের পকেট স্কোয়ার। জাফরান, সাদা এবং সবুজ রঙের এই পকেট স্কোয়ার জাতীয় পতাকার রঙকে তুলে ধরছিল। ফলে প্রধানমন্ত্রীর পোশাকে জাতীয় আবেগের একটি স্পষ্ট ছাপ দেখা যায়।

স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী মোদীর পাগড়ি পরার রীতি নতুন নয়। প্রতি বছর লালকেল্লার অনুষ্ঠানে তাঁর মাথার পাগড়ি নিয়ে মানুষের মধ্যে আলাদা আগ্রহ দেখা যায়। শুধু পোশাক নয়, বিভিন্ন রাজ্যের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যও অনেক সময় তাঁর পাগড়ির নকশায় ফুটে ওঠে।

২০২৫ সালে প্রধানমন্ত্রী পরেছিলেন গেরুয়া রঙের পাগড়ি। তার সঙ্গে ছিল সাদা কুর্তা-চুড়িদার, গেরুয়া বন্ধগলা জ্যাকেট এবং তেরঙা স্টোল।

২০২৪ সালে তাঁর মাথায় ছিল রাজস্থানি লহেরিয়া প্রিন্টের পাগড়ি। সাদা কুর্তা-চুড়িদারের সঙ্গে ছিল হালকা নীল বন্ধগলা জ্যাকেট।

২০২৩ সালে মোদী পরেছিলেন হলুদ, সবুজ এবং লাল রঙের বান্ধনী প্রিন্টের পাগড়ি। এর সঙ্গে ছিল কালো ভি-নেক জ্যাকেট।

২০২২ সালে দেখা গিয়েছিল গেরুয়া পাগড়ি। তাতে ছিল লাল নকশা এবং লম্বা ঝুলন্ত অংশ। নীল জ্যাকেট ও স্টোলের সঙ্গে সেই সাজ আলাদা নজর কেড়েছিল।

২০২১ সালে ছিল ক্রিম এবং গেরুয়া রঙের পাগড়ি। এর সঙ্গে তিনি পরেছিলেন হাফ-স্লিভ কুর্তা।

২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় তাঁর পোশাকে ছিল অন্য ধরনের বার্তা। তিনি সাদা কাপড়ের সঙ্গে গেরুয়া বর্ডার ব্যবহার করেছিলেন। সেই কাপড় মুখ ঢাকার জন্যও ব্যবহার করা হয়েছিল।

২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী পরেছিলেন কমলা ও সবুজ রঙের রাজস্থানি ধাঁচের পাগড়ি। সঙ্গে ছিল সাধারণ সাদা হাফ-স্লিভ কুর্তা।

২০১৮ সালে ছিল লাল ও গেরুয়া রঙের পাগড়ি। সাদা কুর্তার সঙ্গে সেটি খুব সহজেই চোখে পড়েছিল।

২০১৭ সালে ছিল উজ্জ্বল হলুদ, কমলা ও লাল রঙের পাগড়ি। তার সঙ্গে ছিল ঐতিহ্যবাহী লম্বা ঝুল।

২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী পরেছিলেন গোলাপি, হলুদ ও কমলা রঙের টাই-অ্যান্ড-ডাই পাগড়ি। সেই পাগড়িরও ছিল লম্বা ঝুলন্ত অংশ।

২০১৫ সালে ছিল সর্ষে হলুদ রঙের পাগড়ি। তাতে লাল, সবুজ ও গোলাপি রঙের ছাপ ছিল। সঙ্গে ছিল তেরঙা পকেট স্কোয়ার।

আর ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোদী পরেছিলেন উজ্জ্বল লাল জোধপুরি বান্ধেজ সাফা। তার সঙ্গে ছিল সবুজ রঙের লম্বা ঝুল।

বছরের পর বছর এই পাগড়িগুলি শুধু পোশাকের অংশ হয়ে থাকেনি। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যও সামনে এসেছে। তাই স্বাধীনতা দিবসে মোদীর ভাষণের পাশাপাশি তাঁর পাগড়িও এখন অনুষ্ঠানের একটি পরিচিত বৈশিষ্ট্য।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More