Iran-US peace deal: ঐতিহাসিক চুক্তি কী দোরগোড়ায়? ট্রাম্পের ঘোষণার বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, কী করবে তেহরান?

Iran-US peace deal: রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে শুক্রবার দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, আলোচনার টেবিলে থাকা চুক্তি অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে। 

Published on: Jun 14, 2026, 14:19:58 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Iran-US peace deal: শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করে দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতার চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে চলেছে রবিবার। দুই দেশের সংঘাতের অন্যতম মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও সেই ঘোষণায় সায় দিয়েছেন। এই আবহে ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের বিদেশ মন্ত্রকের দফতরের সামনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার বিরোধীতায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন কয়েক ডজন মানুষ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে টেলিভিশনে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির দেওয়া সাক্ষাৎকারের প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা তাঁর বিরুদ্ধে স্লোগানও দেন।

বিক্ষোভে উত্তাল ইরান
বিক্ষোভে উত্তাল ইরান

ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, দফতরের সামনে কালো চাদর পরা মহিলারা লাল ও কালো পতাকা নেড়ে স্লোগান দিচ্ছেন। তাঁরা আব্বাস আরাঘচির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে 'বিদেশ মন্ত্রীর অসম্মানজনক মৃত্যু হোক, সে একজন অনুপ্রবেশকারী’-এই ধরনের স্লোগান দেন। এই বিক্ষোভ এমন এক সময় হয়েছে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি শান্তি চুক্তির কথা বলছে। তবে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থী কিছু মহল এই চুক্তির বিরোধিতা করছে। তাদের দাবি, এই চুক্তি ইরানের স্বার্থ রক্ষা করবে না এবং হরমুজ প্রণালীতে তাদের কৌশলগত প্রভাব কমিয়ে দেবে। পাশাপাশি তাদের অভিযোগ, চুক্তি করতে গিয়ে ইরানি আলোচকরা অতিরিক্ত ছাড় দিয়েছেন।

এর আগে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে শুক্রবার দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, আলোচনার টেবিলে থাকা চুক্তি অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে। এই অবরোধটি মূলত হরমুজ প্রণালীতে ইরানের আরোপিত অবরোধের জবাবে আরোপ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তিনি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালীর প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আগের মতো থাকবে না।’ তিনি এই জলপথকে ইরানের 'অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধের হাতিয়ার' হিসেবে উল্লেখ করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে (যেগুলোর সত্যতা এএফপি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি) দেখা যায়, তেহরানের বিদেশ মন্ত্রকের সামনে বিক্ষোভকারীরা ‘আরাঘচি, পদত্যাগ করো’ এবং ‘গালিবাফ, পদত্যাগ করো’ স্লোগান দিয়েছেন। বাঘের গালিবাফ ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এবং প্রধান আলোচক হিসেবে পরিচিত। শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান বলেছে, যুদ্ধ শেষ করার জন্য প্রস্তাবিত চুক্তিটি রবিবারই স্বাক্ষর হতে পারে। তবে তেহরান এ বিষয়ে সময়সূচি নিয়ে তুলনামূলকভাবে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং নিশ্চিতভাবে কোনও তারিখ ঘোষণা করেনি।