Rajya Sabha Election: বহু রাজ্যে পর্যাপ্ত সংখ্যা থাকলেও রাজ্যসভা ভোটে ক্রসভোটিংয়ের শঙ্কায় বিরোধীরা
১৮ জুন অনুষ্ঠিত হতে চলা রাজ্যসভা নির্বাচনে মোট ২৬টি আসনে ভোট ও উপনির্বাচন হবে। এর মধ্যে এনডিএ-র হাতে রয়েছে ১৮টি আসন, যার মধ্যে ১২টি বিজেপির। এছাড়া কংগ্রেসের চারটি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টির তিনটি এবং ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার একটি আসন রয়েছে।
আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য ক্রস ভোটিংয়ের আশঙ্কায় শঙ্কিত বিরোধী ইন্ডিয়া ব্লক। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতীতের একাধিক নির্বাচনে দলবদল বা গোপন ভোটাভুটিতে বিরোধী শিবির বড় ধাক্কা খেয়েছে। সেই কারণেই এবারও কয়েকটি রাজ্যে বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। ১৮ জুন অনুষ্ঠিত হতে চলা রাজ্যসভা নির্বাচনে মোট ২৬টি আসনে ভোট ও উপনির্বাচন হবে। এর মধ্যে এনডিএ-র হাতে রয়েছে ১৮টি আসন, যার মধ্যে ১২টি বিজেপির। এছাড়া কংগ্রেসের চারটি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টির তিনটি এবং ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার একটি আসন রয়েছে।

ঝাড়খণ্ডে দুইটি আসনের নির্বাচন ঘিরে বাড়তি নজর রয়েছে। সেখানে সরকারে থাকা ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও কংগ্রেস জোটের হাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যার চেয়েও বেশি বিধায়ক রয়েছে। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী দিলে সমীকরণ জটিল হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ৮১ সদস্যের বিধানসভায় একটি আসন জিততে প্রয়োজন ২৮ ভোট। জোটের হাতে ৫৬ বিধায়ক থাকলেও সামান্য ক্রস ভোটিং পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।
কর্ণাটকেও চারটি আসনের নির্বাচন যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কংগ্রেস ও তার সহযোগীদের হাতে ১৩৫ বিধায়ক থাকলেও বিজেপি-জেডিএস জোটের কৌশল নিয়ে জল্পনা রয়েছে। একটি আসনের জন্য প্রয়োজন ৪৫ ভোট। সংখ্যার হিসাবে কংগ্রেস তিনটি এবং বিজেপি একটি আসন পেতে পারে। তবে বিজেপি অতিরিক্ত প্রার্থী দিলে ক্রস ভোটিংয়ের সম্ভাবনা বাড়তে পারে। উল্লেখ্য, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া নাকি রাজ্যসভার পথে পা বাঁড়াতে পারেন। এই আবহে কর্ণাটকের রাজ্যসভা ভোটের দিকে নজর গোটা দেশের রাজনৈতিক মহলের।
মধ্যপ্রদেশেও একই ছবি দেখা যাচ্ছে। সেখানে তিনটি আসনের জন্য ভোট হবে এবং একটি আসন জিততে দরকার ৫৮ ভোট। বিজেপির হাতে অতিরিক্ত ভোট থাকলেও আরও একটি আসনের জন্য অন্য দলের ভোট প্রয়োজন হতে পারে। অন্যদিকে কংগ্রেসের হাতে একটি আসন জেতার মতো সংখ্যা রয়েছে। তবে বিজেপি অতিরিক্ত প্রার্থী দিলে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


