Ramdev on Khamenei: 'মানুষকে হত্যা কর যায়, তবে তাঁর চিন্তাধারাকে খতম করা যায় না', খামেনেইকে নিয়ে বললেন রামদেব
এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রামদেবের থেকে খামেনেইর মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। সেই সময় রামদেব বলেন, কোনও ব্যক্তিকে হত্যা করা যায়, তবে তাঁর চিন্তাধারাকে খতম করা যায় না।
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে এবার বড় মন্তব্য করলেন বাবা রামদেব। তিনি বললেন, কোনও ব্যক্তিকে হত্যা করা যায়, তবে তাঁর চিন্তাধারাকে খতম করা যায় না। এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রামদেবের থেকে খামেনেইর মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। সেই সময় রামদেব বলেন, 'আপনি একজন মানুষকে হত্যা করতে পারেন, কিন্তু তাঁর চেতনা, চিন্তাভাবনা, দর্শন, সাহসিকতা খতম করতে পারবেন না। আমি ইরান সম্পর্কে তেমন কিছু জানি না। কিন্তু আমি এটা জানি যে তারা নবী মহম্মদের পরিবারের আসল মানুষ। তাদেরকেই শিয়া বলা হয়। কেউ তাদের পরাজিত বা নির্মূল করতে পারবে না। কয়েক কোটি মানুষ তাদের হৃদয়ে ধারণ করেন খামেনেইকে। আপনি কীভাবে সেটা নির্মূল করতে পারেন? এটি আমেরিকার রাজনৈতিক অপরিপক্কতার উদাহরণ। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু মানবতার অপরাধী। ইজরায়েল-আমেরিকাকে আগামী বহু বছর ধরে এই যুদ্ধের শিকার হতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র বা ইজরায়েল কেউই এতে জিততে পারবে না।'

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান 'অপারেশন এপিক ফিউরি'র সবচেয়ে বড় লক্ষ্য ছিল ইরানের মৌলবাদী শাসন ব্যবস্থার পতন। তবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে হত্যা করেও সেই দেশে শাসন ব্যবস্থা বদলাতে পারেনি আমেরিকা। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনেও মার্কিন অভিযানের সাফল্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স কাউন্সিলের প্রস্তুত করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সামরিক ও ধর্মীয় কাঠামো এতটাই গভীর ও প্রাতিষ্ঠানিক যে, তা ভেঙে পড়া অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে। সব মিলিয়ে আমেরিকার এখন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে না থাকলেও তারা এই যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছে বলে অনেকের মত।
এদিকে ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশ জুড়ে ইরান হামলা চালিয়েছে। বাহরাইন থেকে শুরু করে দুবাই, সৌদি, কাতার, কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে আছড়ে পড়েছে ইরানি মিসাইল। এই আবহে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি হামলায় আমেরিকার একাধিক সেনা জওয়ান নিহত হয়েছেন। এদিকে এই যুদ্ধে আমেরিকার একাধিক রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে ইরান। এই সব রাডার ব্যবস্থাগুলির সম্মিলিত মূল্য কয়েক বিলিয়ন ডলার হবে। এই আবহে পশ্চিম এশিয়ায় নিজেদের 'চোখ-কান' হারিয়েছে আমেরিকা। পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশ থেকে নিজেদের দূতাবাস খালি করিয়েছে আমেরিকা। যুদ্ধের আবহে হরমুজ প্রণালী কার্যত স্তব্ধ। বিভিন্ন দেশের তেলের ডিপোতেও হামলা চালাচ্ছে ইরান। এর জেরে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর বড় প্রভাব পড়ছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


